NarayanganjToday

শিরোনাম

আড়াইহাজারে এবার গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ


আড়াইহাজারে এবার গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আড়াইহাজার উপজেলায় এবার এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিডোগ ওঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার লস্করদী মধ্যপাড়া এলাকায়।

নিহতের নাম নাছরিন আক্তার (২৪)। সে নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকার সফিকুল ইসলামের মেয়ে এবং লস্করদী মধ্যপাড়া এলাকার মঞ্জুর হোসেনের স্ত্রী। এর কয়েকদিন আগে আরেক গৃহবধূকে বালিশ চাপায় হত্যা করে পালায় স্বামী।

নাছরিন আক্তারের পরিবার থেকে জানানো হয়, স্থানীয়রা মঞ্জুর হোসেনের ঘরে নাছরিন আক্তারের লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

নিহতের পিতা সফিকুল ইসলামের অভিযোগ, দুই বছর মেয়েকে মঞ্জুর হোসেনের সাথে বিয়ে দেন। মঞ্জুর হোসেন এ এলাকার খেজমত আলীর ছেলে। বিয়ের পর থেকে স্বামী বিভিন্ন কারনে নাছরিনের উপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মঞ্জুর নাছরিনকে বেধড়ক পেটায়। এতেই তার মৃত্যু হয়। কিন্তু মঞ্জুর হোসেন তাদেরকে খবর দেয় যে, নাছরিন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন। খবর পেয়ে এসে দেখি নাছরিনের পায়ে, গালে ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত ঝরছে।

আড়াইহাজার থানার ওসি এম এ হক জানান, এ ঘটনায় আপাত ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃম্যুও কারণ বুঝে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে  সাহেরা বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে তাঁরই স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী আপেল মিয়া পলাতক রয়েছে। সাহেরা বেগম উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের ধোপারটেক গ্রামের সুরুজ মিয়ার মেয়ে এবং ‘ঘাতক’ স্বামী আপেল নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার দিঘিরপাড় এলাকার রেজ্জাকের ছেলে।

১ অক্টোবর, ২০১৮/এসপি/এনটি

উপরে