NarayanganjToday

শিরোনাম

রাতভর ঝগড়া, ভোরের দিকে স্ত্রীকে হত্যা এবং...


রাতভর ঝগড়া, ভোরের দিকে স্ত্রীকে হত্যা এবং...

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্য রাত থেকেই মেহেদী হাসান (৩০) ও আফরিন আক্তার রানী (২৩) দম্পতির মধ্যে ঝগড়া শুরু। রাতভর এ ঝগড়া থেমে থেমেই চলছিলো। ভোরের দিকে এসে ঝগড়ার তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। আর তখনই মেহেদী হাসানের ভেতরে জেগে ওঠে পশুত্ব, হত্যা করে স্ত্রী আরফিন আক্তার রানীকে।

শুক্রবার (৫ অক্টোবর) ভোরের দিকে ফতুল্লার এনায়েত নগরের চাঁদনী হাউজিংয়ে ফারুকের বাড়ির ২য় তলায় ঘটে এ ঘটনা। ঘটনার পরপরই ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পন করেন আফরিন আক্তারের ‘ঘাতক’ স্বামী মেহেদি হাসান।

নিহত আফরিন আক্তার রানী নাটোর জেলার বাঘাদিপাড়ার সরদীয়া এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে। দুই বছরের আগে মেহেদী হাসানকে সে ভালোবেসে বিয়ে করে ঘর বাঁধে। বিয়ের পর থেকেই তারা ফতুল্লার চাঁদনী হাউজিংয়ের ফারুকের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৫ মাস বয়সী একটি শিশু সন্তান রয়েছে।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মজিবুর রহমান। তিনি জানান, “দুপুরের দিকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।”

এদিকে ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন-উল-আবেদ নিহত আফরিন আক্তারের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, “তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আফরিনের গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তারই স্বামী মেহেদী হাসান। এতে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। পরে মেহেদী হাসান নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসর্মপণ করেন।”

তিনি আরও জানান, “মেহেদী হাসান ও আফরিন আক্তার রানীর এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তারা উভয়েই পরকীয়া প্রেমে আসক্ত ছিলো। পরে তারা উভয়েই আগের ঘর-সংসার-সন্তান ছেড়ে নিজেদের ইচ্ছেতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর প্রায় সময় পূর্বের সংসার, সন্তান নিয়ে তাদের মাঝে তর্ক-বিতর্ক হতো।”

৫ অক্টোবর, ২০১৮/এসপি/এনটি

উপরে