NarayanganjToday

শিরোনাম

“মেয়েটি বলছে ‘ধর্ষিত হয়েছি’ কিন্তু সেদিন সে কোচিংয়েই আসে নাই”


“মেয়েটি বলছে ‘ধর্ষিত হয়েছি’ কিন্তু সেদিন সে কোচিংয়েই আসে নাই”

এডুকেশনাল কেয়ার কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তাপস কুমার সিংহ ষড়যন্ত্রের শিকার অভিযোগ করে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে তাপসের ছোট ভাই লিটন কুমার সিংহ সহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। সোমবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের পর তারা এ সংবাদ সম্মেলন করে।


সংবাদ সম্মেলনে লিটন লিখিত বক্তব্যে বলেন, নাদিয়া সুলতানা আফসা নামে যে মেয়েটি ধর্ষণের অভিযোগ করেছে সেদিন সেই মেয়েটি কোচিংয়েই আসে নাই, তাহলে কি করে ওই দিন সে ধর্ষণের শিকার হলো?
তিনি বলেন, গত ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় মেয়েটির মা সর্ব প্রথম আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেন মেয়েটিকে খুঁজতে। তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে জানানো হয়, আফসা বেশ কিছুদিন ধরে কোচিংয়ে আসেনা। তিনি বলেন, আমি ঢাকা থেকে এসেছি এ ব্যাপারে কিছু জানিনা।


পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে আফসার কথিত দুলাভাই নূর মোবাইলে তাপস স্যারকে কল দিয়ে ‘তুই তো হিন্দুর পোলা, তোরে রাস্তায় পুড়াইয়া মারবো, তোরে এখানে থাকতে দিবনা, তোর প্রতিষ্ঠান বন্ধ কইরা দিমু’ এই বলে হুমকি ধ্বমকি প্রদান করে। পরের দিন ২২ অক্টোবর নিরাপত্তার জন্য ফতুল্লা থানায় এ ব্যাপারে একটি জিডি করা হয়। একই দিন আমাদের বাড়িতে হামলা হওয়ার কথা শুনে ফতুল্লা থানার এসআই মিজানুরকে বিষয়টি অবগত করি। বিকালে তিনি দু’পক্ষকে থানায় ডেকে মীমাংশার কথা বলেন। থানায় গিয়ে দেখি সেখানে মেয়ে (আফসা) ও তার মা উপস্থিত। কিন্তু দেখি মীমাংশা করার মত উদ্যোগ নেই।


তাপসের ছোট ভাই লিটন আরো বলেন, পরে এসআই মিজান আমাদের বলেন, তাপস স্যারকে থানায় থাকতে হবে। ওই দিন থানার ওসি অভিযোগকারীর সাক্ষ্য নিলেও তাপস স্যারের পরিবারের কারো সাক্ষ্য নেননি। পরের দিন বিকালের দিকে জানানো হয়, ২১ অক্টোবরের ধর্ষনের অভিযোগে তাপস স্যারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২১ অক্টোবর কোচিং খোলা ছিলো এবং শিক্ষার্থী সহ সকল শিক্ষক উপস্থিত ছিলো। ওই দিন এ ধরনের কোন ঘটনা যদি ঘটতো, তাহলে একটু হলেও তার জানতো। এটা তাপস স্যারের বিরুদ্ধে একটা গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না। তাই আমরা অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার সহ এ ঘটনার সাথে জড়িত মূল ষড়যন্ত্রকারীর গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানাচ্ছি। পাশাপাশি বলতে চায়, যদি এ ঘটনার সাথে আমাদের স্যারও (তাপস) জড়িত থাকে, তাহলে তারও শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।


সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, এডুকেশনাল কেয়ার কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তাপস কুমার সিংহ এর সহধর্মীনি রেখা সিংহ, শিক্ষিকা খাদিজা বেগম, সুমন হক প্রমূখ।

২৯ অক্টোবর, ২০১৮/এমবি/এইচ

 

উপরে