NarayanganjToday

শিরোনাম

মাদকে জিরো টলারেন্স, ভূমিদস্যুদের তালিকায় রয়েছে কাউন্সিলরও


মাদকে জিরো টলারেন্স, ভূমিদস্যুদের তালিকায় রয়েছে কাউন্সিলরও

নারায়ণগঞ্জের ভূমিদস্যুদের কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়ে পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেছেন, ইতোমধ্যে ভূমিদস্যুদের একটি তালিকা আমরা প্রস্তুত করেছি। এসব তালিকা ধরে ধরে আমরা কাজ করবো। কাউকে ভূমিদস্যুতা করতে দেওয়া হবে না। এ জন্য আমরা সাধারণ মানুষেরও সহযোগিতা চাই। আপনারা আমাদের কাছে নির্ভয়ে অভিযোগ দিন। আমরা ব্যবস্থা নেবো।

বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপরের দিকে তিনি চাষাড়া শহীদ মিনারে সাংবাদিকদের হকারমুক্ত ফুটপাত, যানজটমুক্ত শহর এবং সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল প্রসঙ্গে ব্রিফ করেন।

প্রস্তুতকৃত ভূমিদস্যুদের তালিকার মধ্যে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের নামও রয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, কে কার লোক। কে ক্ষমতাবান আর কে ক্ষমতাবান নয় সে বিবেচনা আমরা করবো না। একজন অপরাধীকে আমরা অপরাধী হিসেবেই বিবেচনায় এনে প্রচলিত আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। কাউকেই এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না।

মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করার কথা জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের সাথে যারাই জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদি এখানে আমাদের পুলিশের কোনো সদস্যও থাকে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু মাদকই নয়, আমাদের কোনো পুলিশ যদি অন্য যে কোনো অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকে আমাদের জানান, আমরা ব্যবস্থা নেবো। কাউকে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে।

ঝুট সন্ত্রাসী এবং গার্মেন্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে হারুন অর রশীদ বলেন, যারা হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্য নিয়ে পোষাক খ্যাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়, যারা ঝুট সন্ত্রাসী করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোনো গার্মেন্ট মালিক স্বেচ্ছায় কাউকে তাদের ঝুট বিক্রি করে তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু কেউ ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঝুট নামিয়ে আনার চেষ্টা করবে তাকে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।

শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত এবং শহর যানজটমুক্ত রাখাতে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর। শহরে কোনো ধরণের অবৈধ পার্কিং, যানজট, ফুটপাতে কোনো হকার থাকবে না। আমরা এ লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি। এজন্য সবার সহযোগিতা চাই।

এসময় পুলিশ সুপারের সাথে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. নূরে আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (্ক অঞ্চল) মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম, ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শন (তদন্ত) মো. শাহ্ আলম, জেলা পুলিশের মিডিয়া উইং ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ রোমন প্রমূখ।

১০ জানুয়ারি, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে