NarayanganjToday

শিরোনাম

শামীম ওসমানকে জড়িয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টির চেষ্টায় টেনু গাজী


শামীম ওসমানকে জড়িয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টির চেষ্টায় টেনু গাজী

আন্তঃজিলা ট্রাকচালক ইউনিয়ণ পাগলা শাখার কার্যকরি কমিটির মিটিংয়ে দুই সদস্যসের তর্কের ঘটনাকে ভিন্ন রূপ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে জনৈক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 

এখানে সাংসদ শামীম ওসমানকে জড়িয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার আন্তঃজিলা ট্রাকচালক ইউনিয়ণ পাগলা শাখার কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় পাগলায় সংগঠনটির কার্যালয়ে। সভায় কমিটির প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। 

কাউসার আহম্মেদ পলাশের সভাপতিত্ব উক্ত সভায় কমিটির সাংগঠিনক সম্প্দক বশির সাংগঠনিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন কার্যকরী সদস্য তাহেরের বিরুদ্ধে গেলে তা নিয়ে উভযের মধ্যে বাগবিতন্ডা হলে সভার সভাপতি তাদের উভয়কে নিবৃত করেন। 

সভা সূত্র জানায়, সাংগঠনিক প্রতিবেদন নিয়ে বশির এবং তাহেরের মধ্যে উত্তজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। পলাশ, তাহের ও বশিরকে ধমকিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে সভা সমাপ্ত করেন। 

সূত্রটি আরও জানায়, ঘটনার পর নিজের দোষ স্বীকার করে তাহের পলাশের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এসময় পলাশও তাহেরের মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে দেন। 

তাহের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে বলেন, আমি নেতার (পলাশ) কাছে ক্ষমা চাইলেও নেতা ক্ষমা করেনি। কিছু বলেননি। 

এদিকে এ ঘটনাটিকে বহিরাগত শাহ আলম গাজী নামে এক ব্যক্তি ভিন্ন রূপ দিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পাগলা বাজার সমবায় সমিতির সভাপতি শাহ আলম গাজী টেনু ট্রাক চালক ইউনিয়ণের ওই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে ব্যাপারটিকে সংঘর্ষের রূপ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এখানে ক্ষমতাসীনদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টির পায়তারা লক্ষ্যে সাংসদ শামীম ওসমানের প্রসঙ্গ যুক্ত করে ফায়দা নিতে চাচ্ছেন। 

অপর একটি সূত্র জানায় তাহেরকে দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছে শাহ আলম গাজী টেনু। 

তবে, তাহেরের কাছে পুরো ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সে এলোমেলো ভাবে একবার বলেন পলাশ তাকে মেরেছেন ঘটনা সত্য আবার বলছেন ধমক দিয়েছেন। চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে ভরকে গিয়ে তিনি বলেন, "আসলে চাঁদা না, তিনি কথায় কথায় বলছেন 'আমাদের দশ বিশ লাখ টাকা দে' এটা চাঁদা দাবি না। আমাকে মেরে ফেলার কোনো হুমকি দেননি।"

মারধর কে কে করেছেন জানতে চাইলে তিনি এলোমেলো ভাবে বলেন, 'ঘটনা সত্য, এতো কথা জিগাইয়েন না। বলতে পারমু না' বলেই ফোন রেখে দেন।

উপরে