NarayanganjToday

শিরোনাম

শামীম ওসমানের শ্যালক টিটুর সহযোগিতায় মাদক ব্যবসা!


শামীম ওসমানের শ্যালক টিটুর সহযোগিতায় মাদক ব্যবসা!

“সঞ্জয় রায় ও তানভির আহম্মেদ টিটুর সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে জাহাজে রেখে অবৈধভাবে মাদক ব্যবসা করে আসছে”

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ওই তথ্য জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মনিরুল ইসলাম। সোমবার রাতে মেরী অ্যান্ডারসনে ফতুল্লা থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানের পর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওই তথ্য জানানো হয়।

এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় ৬৯ জনকে আসামী করে মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলায় বারের মালিক সঞ্জয়কে আসামী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তানভির আহম্মেদ টিটুকে অবিযোগে সহযোহিতাকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ ছাড়াও অভিযানে আটক ৬৮ জনকেও আসামী করা হয়েছে।

এদিকে কে এই তানভীর আহম্মেদ টিটু, তার পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। গ্রেফতারকৃতদের প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই দুই জনের নাম আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতারকৃতদের ছাড়াও অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত করার পর সঞ্চয় রায় ও তানভীর আহম্মেদ টিটুর পরিচয় জানা যাবে। এর নেপথ্যে কারা তাদেরও খুজে বের করা হবে।

তবে, সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে এই তানভির আহম্মেদ টিটু নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমানের শ্যালক এবং নারায়ণগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সাবেক সভাপতি। তবে এ নিয়ে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ফতুল্লার পাগলা এলাকায় অবস্থিত ভাসমান রেস্টুরেন্ট ও বার মেরী অ্যান্ডারসনে ডিবি ও ফতুল্লা থানা পুলিশ মাদক বিরোধী যৌথ অভিযান চালিয়ে মেরী অ্যান্ডারসনের স্টাফসহ মাদক সেবনরত অবস্থায় ৬৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ৪২ বোতল বিদেশী মদ, ৭৫ বোতল দেশী কেরো মদ, বিভিন্ন প্রকারের ১৯২০ ক্যান বিয়ার ও মাদক বিক্রির ৪৮ হাজার ৯৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মেরী অ্যান্ডারসনের স্টাফরা কোনো বৈধ কাগজপত্র কিংবা পারমিট দেখাতে পারেনি।

তিনি জানান, গ্রেফতার হওয়া ৬৮ জন আসামিদের মধ্যে ২৫ জন মেরিএন্ডারসনের স্টাফ এবং বাকি ৪৩ জন মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেফতার হয়েছে। মাদক সেবনকারীদের লাইসেন্স থাকতে হয়। কিন্তু গ্রেফতারকৃত মাদক সেবনকারীরা কোন প্রকার লাইসেন্স কিংবা মেডিক্যাল প্রেসক্রিপশন দেখাতে পারেনি।

২ এপ্রিল, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে