NarayanganjToday

শিরোনাম

ফতুল্লায় কলেজ পড়ুয়া শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও দুলাভাই!


ফতুল্লায় কলেজ পড়ুয়া শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও দুলাভাই!
প্রতীকি ছবি

চার বছর আগে ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকার মুসলিম নামে এক যুবকের সাথে বিয়ে হয় কেরানীগঞ্জের কাউটাইল এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে সোমা আক্তারের। বিয়ের পর থেকেই সোমার বাড়িতে এসে উঠে তার ছোট বোন নাসরিন আক্তার। এখানে থেকেই তোলারাম কলেজে ভর্তি হয় সে।

দাম্পত্য জীবনে সোমা ও মুসলিমের সংসারে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে শ্যালিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুলাভাই মুসলিমের বিরুদ্ধে। ১৬ এপ্রিল সকালের দিকে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয় শ্যালিকা এবং এর কিছুক্ষণ পর বের হয় দুলাভাই। এরপর থেকেই তাদের আর কোনো হদিস নেই। তাই ধারণা করা হচ্ছে শ্যালিকাকে নিয়েই পালিয়েছে দুলাভাই।

এদিকে এ ঘটনায় হতভাগী বোন সোমা আক্তার বাদী হয়ে এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তার সন্দেহ, তার স্বামী মুসলিম কলেজ পড়–য়া শ্যালিকাকে নিয়ে পালিয়েছে। কেননা, ঘটনার পর থেকে তারা দুজন এখনও পর্যন্ত নিরুদ্দেশ রয়েছে। কোথায় গিয়েছে তার কোনো হদিসই মিলেনি।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে সোমা দাবি করেছেন, চার বছর আগে ফতুল্লার কাঠেরপুর এলাকার আব্দুল গফুর মুন্সির ছেলের সাথে তার বিয়ে হয়। তার ছোট বোন নাসরিন আক্তার কেরানীগঞ্জ থানার কাউটাইল থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরের তোলারাম কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। কিন্তু আসা যাওয়ায় বেশ কষ্ট হচ্ছিলো ভেবে বিয়ের পর বোনকে তার কাছে নিয়ে আসেন।

সোমা জানায়, নাসরিন আক্তার এখানে থেকেই তোলারাম কলেজে পড়াশোনা করতেন। এরমধ্যে তিনি আচ করতে পারেন তার স্বামীর সাথেই তার ছোট বোন নাসরিনের কোনো একটা সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার স্বামীর সাথে তার বাদানুবাদও হয়। এমনকি এসব ঘটনা নিয়ে তার স্বামী প্রায় সময়ই তাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন।

তার দাবি, ছোট বোন নাসরিনের সাথে কথা বলতে, কাছে যেতে বারণ করলেও শুনতেন না মুসলিম। বরং এসব বারণ করার পর মুসলিম ‘সন্তানকে খুন করার’ উল্টো হুমকি দিতেন। ফলশ্রুতিতে দাঁতে দাঁত চেপেই দিনাতিপাত করতে সোমা।

অভিযোগে সোমা আক্তার আরও জানায়, ১৬ এপ্রিল সকাল ৯ টার দিকে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাড়ি থেকে বের হয় ছোট বোন নাসরিন আক্তার। এর এক ঘণ্টা পর বর হন তার স্বামী মুসলিম। এর পর দুপুর গড়িয়ে বিকেলে এবং বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বোন এবং স্বামী কেউই বাড়ি ফিরেনি। এতে করে তার সন্দেহ হতে থাকে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর কোথাও তার বোন নাসরিন আক্তার ও স্বামী মুসলিমের হদিস তিনি পাচ্ছিলেন না। এমনকি তাদের দুজনের মুঠোফোনই বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সোমার ধারণা, তার কলেজ পড়–য়া বোনকে নিয়ে পালিয়েছেন মুসলিম!

২০ এপ্রিল, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে