NarayanganjToday

শিরোনাম

না’গঞ্জে জমে উঠেনি ঈদের বাজার


না’গঞ্জে জমে উঠেনি ঈদের বাজার

ঈদ বাজার বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে পরিচিত দৃশ্য। শপিং মলগুলোতে নারী পুরুষের ভীড়, দরদাম, দোকানের কর্মচারীদের নাভিশ্বাস উঠার অবস্থা। তার ছিঁটে ফোঁটাও এখনো চোখে পড়ছে না নগরীর অভিজাত শপিংমল থেকে শুরু করে ছোটখাট মার্কেটের দোকানগুলোতে। সারা মাস রোজা রাখার পর ঈদের আনন্দের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে কেনাকাটা। ধনী গরীব নির্বিশেষে ঈদ উপলক্ষে যে যার সামর্থ্যমত পরিবার পরিজনদের জন্য কেনা কাটা করে থাকে। কিন্তু এবারের রমজানের প্রায় এক অংশ শেষ হতে চল্লেও তেমন কোন সাড়া নেই ঈদ বাজারে। 

সরজমিনে নগরীর চাষাড়া থেকে ডিআইট এলাকা পর্যন্ত ঘুরে বিভিন্ন শপিং মল ও বিপনী বিতানগুলোতে এমনই চিত্র দেখা গেছে। 
 
এর কারণ প্রসঙ্গে বিপনী বিতানগুলোর কোন কোন দোকানীরা বলছেন, রমজানের শুরু থেকেই সার দেশেই প্রচন্ড তাপদাহ বিরাজ করছে। এর প্রভাব নারায়ণগঞ্জেও পড়েছে। যেকারনে খুব বেশী প্রয়োজন না হলে মানুষ ঘর থেকে বেরুচ্ছে না। যেকারনে ক্রেতা শুন্যতা বিরাজ করছে। তবে দাপদাহ বাড়ক– বা না কমুক, আশা করছি আগামী ২/৪ দিনের মধ্যে ঈদেও কেনাকাটা জমে উঠবে। কেননা এ দেশের মুসলিম সম্প্রদায় সাধারনত নতুন জামাকাপড় ছাড়া ঈদ উদযাপন করেন না। হোক সে ধনী বা গরীব, যার যার সামর্থন অনুযায়ী ঈদের কেনাকাটা করবেই। 

তবে কোন কোন দোকানী আবার এর সাথে দ্বিমত পোষন করে বলেছেন, বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের ব্যবসা বানিজ্যে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী আর মুষ্ঠিমেয় কিছু মানুষ ছাড়া কারো অবস্থাই ভালো না। যেকারনে এবারের ঈদ বাজার আগেরমত জমে উঠবে না বলেই ধারনা করা হচ্ছে। তবে ১৫ রমজানের পর থেকে ঈদ বাজার জমে উঠলেও বিগত ঈদ বাজারগুলোর মত হবে না। 

এদিকে শপিং মল বা বিপনী বিতানগুলোর উল্টো চিত্র দেখা গেছে নগরীর ফুটপাতের দোকানগুলোতে। নিন্ম আয়ের মানুষ সহ এক শ্রেনীর মধ্যবিত্ততের ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভীড় করতে দেখা গেছে। এখানকার দোকানীরাও বলছেন ঈদ বাজার পুরোপুরি জমে না উঠলেও মোটামুটি বেচাকেনা খারাপ হচ্ছে না। তবে আরো কয়েকটা দিন গেলে বেচাকেনা আরো জমে উঠবে।
১৩ মে, ২০১৯/এম এ/এন টি
 

উপরে