NarayanganjToday

শিরোনাম

তাপদাহের সাথে লোডশেডিংয়ে নগরবাসীর ভোগান্তি চরম গরমে


তাপদাহের সাথে লোডশেডিংয়ে নগরবাসীর ভোগান্তি চরম গরমে

রোজায় তীব্র তাপদাহে পুড়ছে নগরবাসী আর সেই সাথে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং। সবমিলিয়ে তীব্র গরম আর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে নগরীর জনজীবন। শনিবার (১৮ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রতি এক ঘণ্টা বিরত দিয়ে আরও এক ঘণ্টা করে লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে মানুষ। এতে করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন নগরীর পূর্ব পার্শ্বের মানুষজন।

তীব্র তাপদাহের যন্ত্রনার পাশাপাশি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘন ঘন লোডশেডিং শুরু হয়। এর পর ৩০ মিনিট বা এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও পরবর্তীতে ১ থেকে দেড় ঘন্টা লোডশেডিং রাখা হয়েছে। তবে বিকেলের পর লোডশেডিং ছিল না।

এদিকে প্রচন্ড তাপদাহ ও লোডশেডিংয়ের কবলে পড়া নগরী বাসীদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, ভ্যাপস্যা গরমের সঙ্গে অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের মারাত্মক সমস্যা পড়তে হচ্ছে। তাছাড়া রোজা রেখে কর্মজীবি মানুষ বাহিরে বের হলেই অতিরিক্ত গরমে, ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি। এমনিতেই প্রচন্ড গরমের কারনে মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে সাধারন মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম এর সাথে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত লোডশেডিং।

একদিকে রোজার দিনে প্রচন্ড গরম অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং এর কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্কুল, কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এবং সর্ব সাধারণকে। তারা আরো বলেন, এই গরমে স্কুল, কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের রুমের পরিবেশকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখতে পারলে ডায়রিয়া ও স্বাস জনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংঙ্কা কম থাকে।

এবিষয় ডিপিডিসি’র মোক্তার হোসেন বলেন, আমি দুপুরের পর থেকে দায়িত্বে আছি এই পর্যন্ত দুইবার প্রয়োজনের কারনে লোডশেডিং হয়েছে এর মধ্যে একবার চাষাড়া সায়েম প্লাজার সামনে সিটি কর্পোরেশনের কাজ চলায় বিদ্যুৎ বন্ধ করতে হয়েছিলো। আরেক বার কালিবাজার ফ্রেন্ডস মার্কেটে সমস্যা হওয়ার কারনে আমাদের কাজ চলছিলো তখন বন্ধ করেছি

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন ছাড়া কোনো লোডশেডিং হয়না কোথাও কোনো বিদ্যুতের কাজ চলেই আমরা বিদ্যুৎ বন্ধ করি। যতক্ষন কাজ শেষ না হয় ততক্ষন বন্ধ রাখতে হয়।

১৮মে,২০১৯/এমএ/এনটি

উপরে