NarayanganjToday

শিরোনাম

সাকি অপহরণে কাউন্সিলর নাজমুলের বক্তব্যে প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশ!


সাকি অপহরণে কাউন্সিলর নাজমুলের বক্তব্যে প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশ!

এবার সদর মডেল থানায় দাঁড়িয়েই পুলিশের প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নাজমুল আলম সজল। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাকি অপহরণ প্রসঙ্গে ইংগীত করে পুলিশের কর্মকা-কে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করান।

শনিবার (১৮ মে) সকালে রমজান ও ঈদুলফিতরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকল্পে মার্কেট দোকান মালিক সমিতি, স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ সকল ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করে সদর মডেল থানা পুলিশ। এই সভাতে হোসেয়ারী সমিতির নেতা হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাজমুল আলম সজল। ওইসময় তিনি সাকি অপহরণ নিয়ে ইংগীত করে প্রশ্ন তুলেন।

সজল বলেন, অতীতে অনেক অপরাধী আইনের ফাঁক গলে বা কোনো পুলিশের সহযোগিতায় এ থানা থেকে বেরিয়ে গেছে। ওই দায়ভার এখন বিভিন্ন নিরিহ মানুষের উপর গিয়ে পড়ছে। হয়রানি হচ্ছে।

তিনি বলেন, কেন একজন মুক্তিপন দাবীকারী বা সর্বোচ্চ অপরাধী এ থানা থেকে মুক্তি পাবে এবং সেই দায়ভার কেন সাধারণ মানুষ নিবে? কারা আজকে অপহরণ করে, মুক্তিপন দাবি করে? কারা এই অপরাধীর মুক্তি দাবি করে এবং একই দাবিতে প্রধাণমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়?

সজল বলেন, আমি প্রশ্ন করতে চাই কার হুকুমে ওই আসামীকে অ্যারেষ্ট করা হল এবং কে ওনাকে জামিন দিল? মামলার ফাইনাল রির্পোটে ওই আসামীর নাম নাই কেন? আজকের এ সভায় কামরুল (ওসি) ভাইয়ের প্রতি যে প্রশ্নগুলো রেখে গেলাম, আপনারা তদন্ত কওে দেখবেন।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিত, বিভিন্ন দোকান মালিক।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সাকি অপহরণের ঘটনায় তার সন্ধান দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নিখোঁজ সাকির পিতা খালেদ আহম্মেদ এপন। এছাড়াও এর আগে থেকে সাকি অপহরণের ঘটনায় এপনের অভিযোগের তীর কাউন্সিলর নাজমুল আলম সজলের দিকে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার তিনি তার বক্তব্যে দাবিও করেন।

তবে, নাজমুল আলম সজল বিপরীতে দাবি করেছিলেন, এ ঘটনায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এর সাথে এপনের ভাই জড়িত। এপনের ভাই এবং এপনকে সাকি নিখোঁজের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করলেই মূল বেরিয়ে আসবে।

এছাড়াও সদর মডেল থানায় শিশু সাদমান সাকি অপহরণ ও মুক্তিপণের ঘটনায় এপনের ভাইকে আটক করেছিলো পুলিশ। সাকি অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি করার ঘটনায় সরাসরি সে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছিলো। কিন্তু সাকির বাবা এপনই তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। যার কারণে সাকির ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়নি। আর এই তথ্য সম্বলিত সংবাদ একাধিক গণমাধ্যম সম্প্রতি প্রকাশ করে। প্রকাশিত সংবাদে এই তথ্য সদর মডেল থানার একজন পরিদর্শকের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছিলো

১৮ মে, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে