NarayanganjToday

শিরোনাম

বিকাশ এজেন্ট ও ব্যাঙ্কে টাকা লেন-দেনে পুলিশের সহযোগিতা নিন : এসপি


বিকাশ এজেন্ট ও ব্যাঙ্কে টাকা লেন-দেনে পুলিশের সহযোগিতা নিন : এসপি

‘পুলিশ ও জনগন একে অপরের সহায়তায় যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব’ বলে দাবি করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ। রোববার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ঈদ উপলক্ষে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং যানজট নিরসন কল্পে মতনিবিময় সভায় ওই দাবি করেন তিনি।

পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি ব্যস্ততম বাণিজ্যিক শহর প্রতিনিয়ত এখানে হাজার হাজার লোক বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা-যাওয়া করে। স্থানীয় দোকান মালিক মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সিকিউরিটির ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ, আনসার ও কমিউনিটি পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট নিরসনে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা চাই। পুলিশের একার পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ও যানজট নিরসেন সম্ভব নয়।

মতবিনিময় সভায় নারায়ণগঞ্জ জেলার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, ব্যবসায়িক মালিক সমিতি, চেম্বার অব কমার্স, বিসিক শিল্প মালিক সমিতি ও বিকেএমই সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ কালিবাজার স্বর্ন ব্যবসায়ি মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা যানজট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। তাদের মধ্যে, ফতুল্লা বাজার সমবায় সমিতির সভাপতি মো. হোসেন বলেন, যানজট নিরসনের জন্য জেলা পুলিশের পাশাপাশি তাদের নিজস্ব ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করবেন। তিনি আরো বলেন রেলস্টেশন ও রেল গেটের জন্য যানযট সৃষ্টি হয়।

বিসিক শিল্প মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. হাতেম সকল ব্যবসায়ীদের পক্ষে পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জানিয়ে জেলা পুলিশকে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও যানজট নিরসনকল্পে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন দোকান মালিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা টাকা-পয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তা পাবেন। পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ মানি স্কট করে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দিবে।

অনেক সময় বিকাশ এজেন্টদের গুলি করে, আহত করে টাকা ছিনতাই করে থাকে দূর্বৃত্তরা। এ ক্ষেত্রে পুলিশ বিকাশ এজেন্টসহ ব্যাংকের টাকা পয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

এছাড়াও স্বর্ণ দোকান মালিক-সমিতি সভাপতি সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সন্ধার পর তাদের নিজস্ব সিকিউরিটি রাখার পরামর্শ দেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, পুলিশ নিয়মিত টহল দিবে এবং হোন্ডা মোবাইল এর ব্যবস্থা থাকবে। সর্বপোরি রমজান এবং ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানের ন্যায় স্বাভাবিক রাখা ও যানজট নিরসন কল্পে সকলের সহযোগিতা দরকার।

মতবিনিময় সভায় যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গলেন, বিসিক শিল্প মালিক সমবায় সমতির সভাপতি মো. হাতেম, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্টাস্ট্রিজের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, চেম্বার অব কমার্সের এহছানুল হক, পরিচালক, বাংলাদেশ ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ মালিক সমিরি, শিমরাইল শাখার সভাপতি, মতিউল্লা মিন্টু, হিমালয় পরিবহনের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম চেঙ্গিস প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় সঞ্চলনার দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মো. মনিরুল ইসলাম।

১৯ মে, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে