NarayanganjToday

শিরোনাম

চট্টগ্রাম থেকে না.গঞ্জে এনে তরুণীকে ধর্ষণ, অবশেষে গ্রেফতার সেই যুবক


চট্টগ্রাম থেকে না.গঞ্জে এনে তরুণীকে ধর্ষণ, অবশেষে গ্রেফতার সেই যুবক

ছেড়ে দিয়ে গনমাধ্যমের শিরনাম হয়ে চট্টগ্রাম থেকে এক তরুনীকে নারায়ণগঞ্জে এনে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত রবিউল হাসান সানি (২৪) কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল ১০ টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের লিংক রোড থেকে সদর মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  পরে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে ধৃতকে একইদিন দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার (১০ জুন) সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত ধর্ষককে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠে। আর এ সংক্রান্তে একইদিন স্থানীয় গনমাধ্যগুলোতে সমালোচনামুলক সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ ধর্ষককে দ্রুত গ্রেফতারে তৎপর হয়ে উঠেন। 

প্রসঙ্গত, ৭ জুন শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে শহরের উকিলপাড়া শ্যামলী বাস কাউন্টার থেকে ধর্ষণের শিকার তরুণী ও ধর্ষক অভিযোগে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে সদর মডেল থানার এসআই সাইফুল।  পরে ধর্ষিতাকে থানায় রেখে অভিযুক্ততে কৌশলে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।

ধর্ষণের শিকার তরুণী (২২) চট্টগ্রামের হাটহাজারি এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় আক্রান্ত তরুণী বাদী হয়ে রবিউল ইসলাম সানি সহ ৩ জনকে অভিযুক্ত করে সদর মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। সানি মুন্সিগঞ্জ জেলার ফুলতলা এলাকার নূরুল হক বেপারীর ছেলে। সে একজন গার্মেন্টস কর্মী।

অভিযুক্ত এসআই সাইফুল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ধর্ষক অভিযোগে অভিযুক্ত সানিকে ঘটনাস্থলে পাননি। তবে, পরে অভিযুক্তের মা থানায় আসছিলেন। কিন্তু তিনি কৌশলে খাবারের কথা বলে পালিয়ে যান।

ধর্ষণ আক্রান্ত তরুণী জানিয়েছে, ৬ মাস আগে চট্টগ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয় রবিউল ইসলাম সামীর সাথে। সেখানে তারা একে অপরের সাথে মুঠোফোন নম্বর আদান-প্রদান করেন। পরে দুজনের মধ্যে কথাবার্তা শুরু। এক পর্যায়ে তাদের মন দেওয়া-নেওয়া শুরু। এর সূত্র ধরে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসে। শুক্রবার তরুণী সাইনবোর্ড এলাকায় এসে নামলে সামী তাকে গ্রহণ করে।

তরুণীর দাবি, সাইনবোর্ড থেকে সানি তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে সানি। পরে এদিন রাতে (শুক্রবার) এক প্রকার জোর করে তাকে চট্টগ্রামের গাড়িতে উঠিয়ে দিতে শহরের উকিল পাড়া শ্যামলী বাস কাউন্টারে নিয়ে আসে। সে বিয়ে ছাড়া চট্টগ্রামে ফিরবে না জানালে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিত-া হয়। এক পর্যায়ে লোকজন জড়ো হলে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ আসে এবং সামীসহ তাকে আটক করে। কিন্তু পরবর্তীতে সামীকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

১০ জুন, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে