NarayanganjToday

শিরোনাম

আজমেরী ওসমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের হানা!


আজমেরী ওসমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের হানা!

আজমেরী ওসমানের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করতে এসেও গ্রেফতার ভয়ে তা আর করতে পারেনি ১৫ টি সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তবে, তাদের অভিযোগ পুলিশী বাধায় তারা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেনি।

বুধবার (২৬ জুন) বিকেলে চাষাড়া বালুর মাঠ এলাকায় নারায়ণগঞ্জ দোকান প্রতিষ্ঠান কর্মচারি ইউনিয়নের কার্যালয়ে ১৫ টি সংগঠনের যৌথ আয়োজনে ওই সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছিলো।

থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টীম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে প- হয়ে যায় সংবাদ সম্মেলনে। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও ফুডল্যান্ডের মালিক হাবিবকে অসুস্থ, মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা দিয়ে এবং আজমেরী ওসমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে দাবি করে ওই সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করেছিলো ১৫টি সংগঠন।

সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে, নারায়ণগঞ্জ দোকান প্রতিষ্ঠান কর্মচারি ইউনিয়ন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক কর্মচারি ইউনিয়ন, জেলা নীট ডাইং গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, জেলা ট্রাক ট্যাংকলড়ী শ্রমিক ইউনিয়ন, হোসিয়ারী শ্রমিক ইউনিয়ন, মাঝি সমিতি, অন্ধ কল্যান সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা ‘আশোক’, দুরপাল্লা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন, খানপুর (৩৮১০) শাখা ইউনিয়ন নারায়ণগঞ্জ, মাইক্রোবস ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়ন, নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল ক্রিকেট একাডেমি, পথশিশু মুক্ত বাংলাদেশ, সরকারী খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়ন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান দুঃস্থ ও জনকল্যান ফাউন্ডেশন। এই সংগঠনগুলো সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকেরা এতে উপস্থিত ছিলেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজনকারীরা দাবি করেন, তারা সংবাদ সম্মেলন শুরু করার পরপরই সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি এবং ডিবি পুলিশের অসংখ্য সদস্য তাদের সংবাদ সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে জানতে চান, কেন এই সাংবাদিক সম্মেলন করা হচ্ছে? ভুক্তভোগির পক্ষে কথা না বলে অভিযুক্তদের পক্ষে থাকার কারণ জানতে চায় পুলিশ। এছাড়াও পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সকলের নাম ঠিকানাসহ ছবি তুলে নিয়ে যান।

তাদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণ ভাবেই সংবাদিকদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলো। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি এবং কারণ সম্পর্কে জানতে চেয়ে ফোর্স করাতে সকলেই ভীত হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশ নাম ঠিকানা ও ছবি তুলে কার্যালয় ছেড়ে নিচে গিয়ে অপেক্ষা করছিলো। তখন তারা মনে করে হয়তো তাদের গ্রেফতার করা হতে পারে। সে ভয়ে যে যেভাবে পেরেছে সেভাবেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এদিকে এ প্রসঙ্গে সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকালে ফুডল্যান্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষজন জড়ো হচ্ছে তেমন একটি ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি তারা সাংবাদিক সম্মেলন করছিলো। পরে তাদের নাম ঠিকানা জেনে নিয়ে তারপর চলে আসি।

তিনি বলেন, কাউকে গ্রেফতার করার চিন্তা ভাবনা করে আমরা সেখানে যাইনি। তবে, আমরা ফোন পেয়ে ভেবেছিলাম কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা করতে পারে, সে জন্য থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশসহ আমরা ৪০ জন ঘটনাস্থলে ছুটে যাই যাতে কোনো ধরণের উচ্ছৃঙ্খলতা কেউ করতে না পারে।

২৬ জুন, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে