NarayanganjToday

শিরোনাম

অবশেষে নারী যাত্রীদের উত্যক্তকারী সেই রিকশা চালক আটক


অবশেষে নারী যাত্রীদের উত্যক্তকারী সেই রিকশা চালক আটক

অবশেষে আটক করা হয়েছে নারী যাত্রীদের উত্যক্ত করা ইভটিজার রিকশা চালককে। ভুক্তভোগি এক শিক্ষার্থীর দেওয়া একটি ফেসুবক পোস্ট ভাইরাল হলে এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরে শহরের তোলারাম কলেজ শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে ওই রিকশা চালককে জামতলা থেকে আটক করা হয়। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় তাকে ফতুল্লা মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়। আটক রিকশা চালক শহরের নলূয়া পাড়া এলাকার মো. নূর মোহাম্মদের ছেলে মো. মাসুদ। সে নিতাইগঞ্জের তারা মিয়ার গ্যারেজের রিকশা চালক।

তার আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে নারী উত্যক্তের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, রিকশা চালক মাসুদের দ্বারা এই শহরের অসংখ্য শিক্ষাথী, মহিলা যৌন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনামিকা নামে এক ভুক্তভোগি শিক্ষার্থী তার সাথে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি রিকশা চালক মাসুদ দ্বারায় হয়রানির বর্ণনা তুলে ধরেন। সেই সাথে রিকশা চালকের তিনটি ছবিও ওই পোষ্টে সংযুক্ত করেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে সেই পোষ্টটি ভাইরাল হয়। পরে মাসুদের দ্বারা আরও যারা ইতোপূর্বে যৌন-হয়রানির শিকার হয়েছেন তারাও ওই পোষ্টের মন্তব্য ঘরে সেসব তুলে ধরেন।

এদিকে এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ, প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এরপরই শিক্ষার্থীরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাকে জামতলা থেকে পাওয়া যায়।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ওই রিকশা চালক কখনোই কোনো পুরুষ যাত্রী তার রিকশাতে উঠাবে না। মেয়েদের দেখলেই সে আগ বাড়িয়েই বলেন, ‘আপা যাইবেন?’ তার বাহ্যিক কিছুটা ভয়ঙ্কর। ফলে অনেক মেয়েই তার রিকশাতে একান্ত বাধ্য না হলে উঠতো না। কিন্তু উঠলেই হতো বিপত্তি। সুযোগ বুঝেই সে তার রিকশাতে বহন করা নারী যাত্রীকে যৌন হয়রানিমূলক কথাবার্তা এবং নানা ভাবে হয়রানি শুরু করতেন।

২৬ জুন, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে