NarayanganjToday

শিরোনাম

আবারও সেই সবুজ সিকদারের চার চাঁদাবাজ হাতেনাতে আটক


আবারও সেই সবুজ সিকদারের চার চাঁদাবাজ হাতেনাতে আটক

নারায়ণগঞ্জের নদী বন্দরে নৌ-পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি করাকালিন সময়ে হাতেনাতে চার চাঁদাবাজকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। আটককৃতরা নারাগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাহাজি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সবুজ সিকদারের লোক।

শনিবার (২৯ জুন) ভোরে বন্দর ইস্পাহানি ঘাট এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ নৌ থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন, বন্দর ইস্পাহানি এলাকার আরমান মাস্টারের ছেলে মো. ফয়জুল (৩২), মো. সুরুজ মিয়ার ছেলে সুমন (১৮), জালাল মাহমুদের ছেল রেদোয়ান মোল্লা (২৬) এবং খালেক হাওলাদারের ছেলে মিন্টু হাওলাদার (৩৮)।

তারা সকলেই ইস্পাহানি এলাকার অস্থায়ী বাসিন্দা এবং নারায়ণগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের স্থায়ী তারা। তাদের মধ্যে ফয়জুল এর আগেও বেশ কয়েকবার একই ভাবে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আটক হয়েছিলো।

নারায়ণগঞ্জ নৌ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “চাঁদাবাজির খবর পেয়ে তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়। আটকদের সদও মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভুক্তভোগি তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।”

সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “নৌ পুলিশ চাঁদাবাজি করাকালিন সময়ে চারজনকে আটক করেছে। তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।”

এদিকে জাহাজি শ্রমিক ফেডারশনের সাধারণ সম্পাদক সবুজ সিকদার দাবি করেন, “আটককৃতরা আমার লোক নয়। তাদেরকে আমি চিনিও না। এখানে আরও অনেক সংগঠন রয়েছে। কেউ আটক হলেই আমার লোক বলে চালিয়ে দেয়। আমি কখনো চাঁদাবাজির সাথে নেই। কেউ বলতেও পারবে না।”

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ মার্চ চাঁদাবাজি করতে গিয়ে হাতেনাতে আটক হয়েছিলো ফজুল ও আবু তালেব। ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করতে গেলে পুলিশ তাদের আটক করে। এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছিলো। এছাড়াও এর দুদিন আগে আরও পাঁচ চাঁদাবাজকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ নৌ পুলিশ। তারা প্রত্যেকেই সবুজ সিকদারের লোক হিসেবেই পরিচিত।

আড়ও পড়ুন

সবুজ সিকদার চাঁদাবাজ নয় কিন্তু তার আয়ের উৎস কোথায়?
শীতলক্ষ্যায় ভয়ঙ্কর এক চাঁদাবাজ সবুজ শিকদার!

২৯ জুন/এসপি/এনটি

উপরে