NarayanganjToday

শিরোনাম

ঢাকায় শিশু সায়মা ধর্ষণ ও হত্যায় আটক হারুন না.গঞ্জের বাসিন্দা নয়


ঢাকায় শিশু সায়মা ধর্ষণ ও হত্যায় আটক হারুন না.গঞ্জের বাসিন্দা নয়

ঢাকার ওয়ারীতে ৭ বছরের শিশু সামিয়া আফরিন সায়মা ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা নয় বলে নিশ্চিত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি সংস্থার একটি সূত্র। সে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা গ্রামের।

তবে, গ্রেফতার হারুনের খালাতো ভাই নারায়ণগঞ্জের সোনাগাঁয় লাগোয়া তিতাসের বাসিন্দা। তিনি রঙের ব্যবসা করেন। আর সেই দোকানেই গত দু মাস ধরে কাজে যোগ দিয়েছিলেন হারুন অর রশীদ।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, যে ভবনের নবম তলা থেকে সায়মার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সেই ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় থাকতো সায়মার পরিবার এবং অষ্টম তলায় পারভেজ তার পরিবার নিয়েই থাকতেন। গত দুমাস ধরে হারুনও তার খালাতো ভাইয়ের ফ্ল্যাটে উঠেন।

পুলিশ জানায়, পারভেজের মেয়ের সাথে সায়মা খেলাধুলা করতো। সেই সুবাধে ঘটনার দিন ৪ জুলাই সায়মা নিজেদের ৬ তলা থেকে অষ্টম তলায় পারভেজের ফ্ল্যাটে এসে তার মেয়ের খোঁজ করে। এসময় ‘মেয়ে ঘুমাচ্ছে’ পারভেজের স্ত্রী এমনটি জানালে সায়মা চলে যাচ্ছিলো। এমন সময় হারুন তাকে ছাদে ঘুরানোর কথা বলে লিফটে করে নবনির্মিত নবম তলার ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে অত্যন্ত পাশবিক ভাবে ধর্ষণ চেষ্টা চালায় হারুন। এসময় সায়মা চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করে। এতে ছোট্ট সায়মার দেহ নিস্তেজ হয়ে গেলে হারুন মৃত ভেবে তার গলায় দড়ি প্যাঁচিয়ে টেনে নিয়ে যায় রান্না ঘরে। সেখানে সায়মার মরদেহ সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যায় হারুন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই হারুন পালিয়ে যায় তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গায়। ৬ জুলাই রাতে পুলিশ হারুনের গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। পরে আটক হারুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য, ৭ জুলাই দুপুরের দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ঘটনার বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

এদিকে, গ্রেফতার হারুন অর রশীদ নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা এবং তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশ হলে এ নিয়ে জেলাজুড়ে বিভ্রান্ত শুরু হয়। পরে তার ঠিকানা নিশ্চিত হতে পুলিশের বিভিন্ন সূত্রের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানা গেছে, হারুন কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। এবং তাকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয়। তবে, ডাবরডাঙ্গা গ্রামটি সোনারগাঁ উপজেলা লাগোয়া। কিন্তু এটি সোনারগাঁ নয়, তিতাস থানা। আর তাই হয়তো এমন বিভ্রান্তির সৃষ্টি।

৭ জুলাই, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে