NarayanganjToday

শিরোনাম

‘মাথা ব্যথার জন্য না.গঞ্জের পুলিশ প্রশাসন পুরো মাথাই কেটে ফেলেছে’


‘মাথা ব্যথার জন্য না.গঞ্জের পুলিশ প্রশাসন পুরো মাথাই কেটে ফেলেছে’

‘পুনর্বাসন ছাড়া কোনো হকার উচ্ছেদ করা যাবে না’ উল্লেখ করে জেলা সিপিবির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম বলেন, আপনারা নাকি গরীব বান্ধব, শ্রমিক বান্ধব সরকার যদি হয়ে থাকেন তাহলে কীভাবে হকার উচ্ছেদ করেন? আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে পুনর্বাসন ছাড়া কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না। আগে পুনর্বাসন করেন, তারপর উচ্ছেদ করেন।

বৃহস্পতিবার (১১ই জুলাই) চাষাড়া শহীদ মিনারে বেলা ১১টায় টায় হকার সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কথা বলেন তিনি। জেলা হকার সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে এই সমাশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিলসহ হকার নেতারা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করতে যান।

এদিকে ‘পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ চলবে না’ এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনারে হকারদের বিক্ষোভ সভা শুরু হয় একদিকে অপরদিকে এর বিপরীতে সতর্ক অবস্থানে অবস্থান নেয় পুলিশ।

হাফিজুল ইসলাম তার বক্তব্যে আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সকল মহল শহরে জনসাধারণ যাতে নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারে, যানজট যাতে মুক্ত থাকে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। কিন্তু তারা কি করলো, মাথা ব্যথা হয়েছে এখন মাথা কেটে ফেলতে হবে? আমাদের প্রশাসন সে কাজ করেছে। খেয়াল করে দেখেন, ফুটপাতের দুই পাশ বড় বড় দোকানগুলো দখল করে রেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ব্যবস্থা নেয়া হলো কার বিরুদ্ধে, হকারদের বিরুদ্ধে।

রহিম মুন্সী চাঁদাবাজি করে না দাবি করে তিনি বলেন, পত্রিকাতে লেখা হয় রহিম মুন্সী নাকি কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে। অমি তার পরিবারে গিয়েছি। খবর নিয়েছি। তার পরিবার গত একমাস ধরে খেয়ে না খেয়ে আছে। অথচ আপনারা লিখেন তিনি চাঁদাবাজ। এমন উপহাস করবেন না।

হাফিজুল ইসলাম বলেন, এই শহরের ফুটপাতে একটি হকারও থাকবে না। তার আগে হকারদের পুনর্বাসন করেন। আমরাও চাই না ফুটপাতে কোনো হকার থাকুক। গুটি কয়েকজন হকারের জন্য হাজার হাজার মানুষের কষ্ট হোক তা আমরাও চাই না।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা হকার্স সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি রহিম মুন্সী, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাস প্রমূখ।

১১ জুলাই, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে