NarayanganjToday

শিরোনাম

খানপুর হাসাপাতালে র‌্যাবের অভিযান, নারীসহ ১০ দালাল জেলে


খানপুর হাসাপাতালে র‌্যাবের অভিযান, নারীসহ ১০ দালাল জেলে

নগরীর খানপুর ৩‘শ শয্যা হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে নারীসহ ১৯ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর একটি দল। তাদের মধ্যে ১০ জনকে জেল দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সাদা পোশাকে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালায়।

অভিযানে নারীসহ ১৯ জনকে আটক করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ১০ দালালকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কারাদ-ে দ-িত করা হয়। এবং অপর ৯ জনকে ভবিষ্যতে অকারণে আর হাসপাতালে আসবে না মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাউল সাবেরিন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী মান্নান। তারা ১০ জনের প্রত্যেককে ৭ দিন করে কারাদ-ে দ-িত করেন এবং বাকী ৯ জনকে মুচলেকায় ক্ষমা করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, শিবু মার্কেট এলাকার রাসেল খানের স্ত্রী মাকসুদা বেগম (২২), তল্লা বড় মসজিদ দারোগা বাড়ির মৃত শামিউর রহমান মোল্লার ছেলে সোহরাব হোসেন, মিশন পাড়া এলাকার হারুনুর রশিদের ছেলে আব্বাস উদ্দিন, খানপুর বৌ বাজার এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে দুলাল হোসেন, খানপুর মেইন রোড এলাকার মৃত লালু মুন্সির ছেলে ইব্রাহিম, মিশন পাড়ার মৃত হাকিম বেপারীর ছেলে বাদল মিয়া, নূর ইসলামের ছেলে খালেক, মৃত মোকসেদ আলীর ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম, আব্দুল খালেকের ছেলে ফরিদ, মৃত সামছুল আলমের ছেলে রিপন।

র‌্যাব-১১ সিপিসি স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কিছু দালাল হাসপাতালে রোগীদের হয়রানি করার সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সাদা পোশাকে বিভিন্ন জনের উপর নজর রাখছিল র‌্যাব। সন্দেহভাজন ১৯ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৯ জনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। বাকিদের ভবিষ্যতে এমন কাজ করবেন না এই মর্মে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, সাজাপ্রাপ্তরা হাসপাতালে আসা রোগীদের বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়নস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। সেসব ক্লিনিকে চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

১৮ জুলাই, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে