NarayanganjToday

শিরোনাম

এইচএসসি পাসের এমবিবিএস ডাক্তার, র‌্যাবের অভিযানে ধরা


এইচএসসি পাসের এমবিবিএস ডাক্তার, র‌্যাবের অভিযানে ধরা

এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা করে আসা নূরে আলম (৩৬) নামে এক ‘ভুয়া ডাক্তার’কে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরের দিকে রূপগঞ্জ উপজেলার মুশরী সাবাসপুর হাসপাতাল মোড় এলাকার ‘মডার্ণ হেলথ সেন্টার’ থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক নূরে আলম আড়াইহাজার থানাধীন ধুপতারা এলাকার মৃত ইব্রাহিমের ছেলে। তার কাছ থেকে  ডা. এন. আলম, এমবিবিএস, সিএমইউ, ডিএমইউ, কনাসালটেন্ট (সনোলজিস্ট) নামীয় ৩ জন রোগীর ৩টি আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট (যেখানে তার স্বাক্ষর আছে), ১টি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, ১টি মনিটর, ১টি সিপিইউ ও ২টি প্রিন্টার জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১১ এর উপ পরিচালক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়েছে, নূরে আলম দীর্ঘদিন নিজেকে বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ‘মডার্ণ হেলথ্ সেন্টার’ এ নিয়মিত রোগীদের বিভিন্ন ডাক্তারী পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট তৈরী করে আসছে। সে তার নামের পাশে ডাক্তারী ডিগ্রী হিসেবে নিজেকে ডা. মো. নূরে আলম এমবিবিএস, সিএমইউ, ডিএমইউ, কনাসালটেন্ট (সনোলজিস্ট), মডার্ণ হেলথ্ সেন্টার, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ নামে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ফরমে উল্লেখ করেছে। র‌্যাবের অভিযানিক দল নিবন্ধনকৃত চিকিৎসক হিসেবে তার এমবিবিএস ডাক্তারী সনদ ও বিএমডিসি কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখতে চাইলে সে কোনো এমবিবিএস ডাক্তারী সনদ ও বিএমডিসি কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখাতে পারেনি।

তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে আটক নূরে আলম জানায়, স্থানীয় স্কুল হতে ২০০১ সালে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি এবং ২০০৪ সালে স্থানীয় কলেজ থেকে জিপিএ-২.৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করে। পরবর্তীতে সে মেডিকেল ওটি বয় হিসেবে কাজ করতো। ২০০৮ সালে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি নকল ভারতীয় এমবিবিএস সার্টিফিকেট ক্রয় করে এবং তা ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। সে দীর্ঘদিন যাবৎ নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার ও কনসালটেন্ট সনোলজিস্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুমোদনবিহীন ‘মডার্ণ হেলথ্ সেন্টার’ এ রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রামসহ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মনগড়া রিপোর্ট তেরী করে আসছিল।

২১ আগস্ট, ২০১৯/এনটি/এসপি

উপরে