NarayanganjToday

শিরোনাম

আজমেরী ওসমানের দুই সহযোগি রিমান্ডে


আজমেরী ওসমানের দুই সহযোগি রিমান্ডে

আজমেরী ওসমানের দুই সহযোগি ছাত্র সমাজের নেতা শাহাদাৎ হোসেন রুকু ও মোখলেসুর রহমানের ১ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফতাবুজ্জামানের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ সতদর মডেল থানা পুলিশ চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার রুকু ও মোখলেসকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করে। পরে এদিন আদালতে তাদের রিমান্ড শুনানি হলে আদালত একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুল হাই রিমান্ড এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ তাদেরকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করলে শুনানি শেষে ১ দিন করে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, ৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সোয়া ১২ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ, সদর ও ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ যৌথ ভাবে আজমেরী ওসমানের গলাচিপার ফ্ল্যাট বাসায় অভিযান চালায়। তবে, এসময় আজমেরী ওসমান বাসায় ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে মোখলেসুর রহমান ও রুকুকে গ্রেফতার করা হয়। তারা দুজনই আজমেরী ওসমানের লোক বলে জানা গেছে।

এছাড়াও মোখলেসুর রহমান জেলা পরিষদের কর্মচারি ও গলাচিপা ডিএন রোডের বাসিন্দা গোলজার হোসেনের ছেলে এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক হচ্ছেন শহাদাৎ হোসেন রুকু।

শহরের আমলাপাড়া এলাকার জনৈক বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে আজমেরী ওসমানকে প্রধান আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বাচ্চু দাবি করেছেন, বৃহস্পতিবার একটি অপরিচিত নম্বর থেকে বাচ্চুর নম্বরে কল করে আজমেরী ওসমানের পরিচয় দিয়েযয ৬৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। এরপরই এই টাকাটা নিতে আসেন মোখলেস, রুকুসহ আর কয়েকজন। এসময় তারা টাকা না পেয়ে কালি মন্দিরের কাছ থেকে মাংসপট্টির আফসু মহাজনের হোটেলের সামনে নিয়ে গিয়ে মারধর করেন। এবং দাবিকৃত টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়।

৮ সেপ্টম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে