NarayanganjToday

শিরোনাম

শামীম ওসমানের বক্তব্যের জবাবে যা বললো সিটি করপোরেশন


শামীম ওসমানের বক্তব্যের জবাবে যা বললো সিটি করপোরেশন

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম এবং জালকুড়িতে সিটি করপোরেশন ময়লা ফেলছে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য রেখেছিলেন সাংসদ শামীম ওসমান।

শামীম ওসমান ১৫ সেপ্টেম্বর ইসদাইর পৌর ওসমানী স্টেডিয়ামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ময়লা ফেলা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আজকে আসার সময় আমি লজ্জা পাইছি। আসার সময় জালকুড়ির সামনে ট্রাফিক জ্যামে পড়ছিলাম। তো আমি দেখলাম স্কুল ড্রেস পড়া কিছু ছেলে মেয়ে তাদের মায়ের সাথে নাকে হাত দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে। আমি দেখলাম রাস্তার পাশে কিছু লোকজন ময়লা ফেলছে, সিটি কর্পোরেশনেরও ময়লা ফেলছে গাড়ি গাড়ি।

তবে, তার সেই সমালোচনার জবাব দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।

সিটি করপোরেশনের দাবি, ২০১৭ সালের পর থেকে জালকুড়িতে সিটি করপোরেশন জালকুড়িতে কোনো ময়লা ফেলছে না। তারা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলামিন নগরের পতিত জায়গায় ডাম্পিং করে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য অপসারণ করছে। ফলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পার্শ্বে কোন বর্জ্য ফেলে না।

সাংসদ শামীম ওসমানের বক্তব্যের পরদিন সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে ময়লা ফেলা প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে। নাসিকের পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক শ্যামল পাল স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ওই কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে আরা উল্লেখ করা হয়, বতর্মানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার উৎপাদিত বর্জ্য সৈয়দপুর আলামিন নগর ফেলা হচ্ছে। ডাম্পিং পয়েন্ট এলাকা দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার ও মশার ঔষধ ছিটানো হয়ে থাকে। খান সাহেব ওসমান আলী ষ্টেডিয়াম সংলগ্ন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে কে বা কারা ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। এ নিয়ে প্রায়শই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনকে দোষারোপ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন হতে কোনো বর্জ্য সেখানে ফেলা হয় না। কিন্তু বাস্তব বিষয়টি অনুধাবন না করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনকে দায়ী করে নানাবিধ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যা সচেতন নাগরিক হিসেবে কারো কাম্য নয়।

বিবৃতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জালকুড়িস্থ দশ পাইপ এলাকায় শুধু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে স্থায়ী স্যানিটারি ল্যান্ডফিলসহ বর্জ্য থেকে ৫ (পাঁচ) মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে পঞ্চবটি জৈব সার কারখানায় জৈব সার উৎপাদন প্রকল্প এবং প্লাস্টিক ও পলিথিন থেকে জ্বালানী তেল উৎপাদন প্রকল্প চলমান রয়েছে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে