NarayanganjToday

শিরোনাম

না.গঞ্জ মহিলা কলেজে শিক্ষকের মারধরে ক্লাসরুমেই অচেতন ছাত্রী!


না.গঞ্জ মহিলা কলেজে শিক্ষকের মারধরে ক্লাসরুমেই অচেতন ছাত্রী!
ফাইল ফটো

একাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শিক্ষকের মারধরের শিকার শিক্ষার্থী ক্লাসরুমেই অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে কলেজেরই মাইক্রোবাসযোগে শহরের ৩শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আহত শিক্ষার্থী তন্বী আক্তার ফতুল্লা ভূইগড় মাহমুদপুর এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে। সে সরকারি মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এবং অভিযুক্ত শিক্ষক একই কলেজের ইংরেজি বিভিাগের সহকারি অধ্যাপক সায়মন খন্দকার।

আহত শিক্ষার্থীর চাচা আতাউর রহমান জানান, ‘তন্বী একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এদিন তার ইংরেজি ক্লাস ছিলো। কিন্তু সে জানতো না। ফলে ইংরেজি বই নিয়ে আসেনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার শিক্ষক সহকারি অধ্যাপক সাইয়মন খন্দকার তার পিঠে বেশ কয়েকটি থাপ্পর কষেন। এতে সে ক্লাস রুমেই অচেতন হয়ে যায়। পড়ে তাকে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে আমরাও হাসপাতালে ছুটে যাই। তখন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে রিলিজ করে নিয়ে আসতেছিলো। পরে তার কাছ থেকেই পুরো ঘটনাটি জানি।’

এদিকে শিক্ষার্থীকে মারধরের পুরো ঘটনাটিকে অস্বীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক মো. দবিউর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ছাত্রীটি আগের থেকেই অসুস্থ ছিলো। ক্লাসরুমে অচেতন হয়ে গেলে সাথে সাথেই তার অভিভাবক মাকে ফোন করি। তিনি জানিয়েছেন, তার মেয়ে আগের থেকেই অসুস্থ ছিলো। এবং তিনিই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং চিকিৎসা দিয়ে নিয়ে এসে তার অভিভাবকের কাছে তুলে দিই।’

তবে, অভিভাবকেরা তাকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন, এমন প্রশ্ন করলে দবিউর রহমান বলেন, ‘তার অভিভাবক কে এই দাবি করেছেন?’ উত্তরে শিক্ষার্থীর চাচার কথা জানালে তিনি বলেন, ‘ছাত্রী বাবা-মা হচ্ছেন অভিভাবক। এর বাইরে অন্য কারো কথা চলবে না।’

‘তন্বী আক্তার অসুস্থ ছিলো এটা প্রশ্নই উঠে না। সে নিজেই বলেছে তাকে তার শিক্ষক ক্লাস রুমেই বেশ কয়েকটি থাপ্পর দিয়েছেন। এতে সে অচেতন হয়ে যায়’ যোগ করেন তন্বীর চাচা আতাউর রহমান।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে