NarayanganjToday

শিরোনাম

কোনো রকম জোর, জবরদস্তি চলবে না : এসপি হারুন


কোনো রকম জোর, জবরদস্তি চলবে না : এসপি হারুন

কোনো রকম জোর, জবরদস্তি করা হলে সাথে সাথেই অ্যাকশনে যাবে পুলিশ। তবে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত এমন সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ।

শনিবার (২২ জুন) সকালের দিকে ইয়ার্ন মার্চেন্ট এসোসিয়েশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে গিয়ে ওই মন্তব্য করেন তিনি। সকাল থেকে টানবাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন ইয়ার্ন মার্চেন্ট এসোসিয়েশন ভবনে (২০১৯-২১) সংগঠনটির নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। একটানা বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

এদিকে পুলিশ সুপার নির্বাচনস্থল পরিদর্শনে আসায় সাধারণ ভোটার, প্রার্থীদের মধ্যে ভিন্ন রকম একটা উৎসব ছিলো লক্ষ্যণীয়। কেউ কেউ বলছিলেন, সাংসদ সেলিম ওসমান ভোটের একদিন আগে এক অনুষ্ঠানে নির্বাচে অংশ নেওয়া একটি প্যানেলকে জয়ী করার জন্য যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তারপর থেকেই অপর প্যানেলের মধ্যে একটা ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছিলো। ফলে পুলিশ সুপারের এই আগমনে ওই প্যানলটির মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছিলো।

পর্যবেক্ষণে গিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হচ্ছে। এমন সহবাস্থনাই আমাদের কাম্য। তারপরও নির্বাচনের রেজাল্ট প্রকাশ পর্যন্ত পুলিশের সদস্যরা এখানে উপস্থিত থাকবেন। যে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা হলে তারা শক্ত হাতে তা দমন করবেন। যেহেতু এই নির্বাচনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ব্যবসায়ীদের নির্বাচন তাই এখানে কোনো রকম প্রভাব বিস্তার মেনে নেওয়া হবে না।

পুলিশ সুপার প্রার্থী, ভোটার, সমর্থকসহ উপস্থিত নারায়ণগঞ্জ (বন্দর-সদর)-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমানের সাথেও কথা বলেন নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি সকলকেই আশ্বস্ত করেন।

প্রসঙ্গত, দ্বি বার্ষিকী নির্বাচন হওয়া কথা থাকলেও দীর্ঘ ৭ বছর পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৯৩৬ জন ভোটারের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এসোসিয়েশনের ১৮ জন নেতা নির্বাচিত হবেন। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল থেকে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেনারেল গ্রুপ থেকে ৭৭৪ জন ও এসোসিয়েট গ্রুপ থেকে ১৬২ জন ভোটার ভোট দিবেন।

এম সোলায়মানের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের ১৮ জন প্রার্থীরা হলেন এম সোলায়মান, আব্দুল মান্নান মিঞা, আব্দুল্লাহ্ আল হোসেন বাপ্পি, মো. হুমায়ুন কবীর, মো. সাইদুর রহমান মোল্লা, দেবদাস সাহা, মো. আজহার হোসেন, মো. হাবিব ইব্রাহীম, মিন্টু চন্দ্র সাহা, মো. সাইদুর রহমান, মো. মহিউদ্দিন তুরান, মো. আব্দুল কাদির। তারা সকলেই সাধারণ গ্রুপ থেকে নির্বাচন করছেন।

এছাড়াও এই প্যানেলের এসোসিয়েট গ্রুপের সদস্যরা হলেন, মো. মাহফুজুর রহমান খান মাহফুজ, মো. মকবুল হোসেন, মো. কামরুল হাসান, মো. খায়রুল কবীর, অসীম কুমার সাহা, মো. ফয়সাল আহাম্মদ দোলন।

অপরদিকে লিটন সাহার নেতৃত্বাধীন প্যানেলের ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে সাধারণ গ্রুপের সদস্যরা হলেন, লিটন সাহা, অশোক মহেশ্বরী, মো. মোজাম্মেল হক, মো. সেলিম রেজা, মো. মজিবুর রহমান, মো. আমিন উদ্দিন, মো. সিরাজুল হক হাওলাদার, মো. আকবর হোসেন, সঞ্জীত রায়, তাজুল ইসলাম, মোস্তফা এমরানুল হক মুন্না, জয় কুমার সাহা।

এছাড়াও এই প্যানেলের এসোসিয়েট গ্রুপের সদস্যরা হলেন, মোহাম্মদ মুসা, মো. মুকুল হোসেন মল্লিক, মজিবর রহমান, মাওলানা নাজমুল হুদা বিন মাহিদ, মো. মেহেদী হাসান, আফসার আহমেদ।

নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন বিকেএমইএ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মঞ্জুরুল হক। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রাশেদ সারোয়ার ও ফারুক বিন ইউসুফ পাপ্পু।

২২ ‍জুন, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে