NarayanganjToday

শিরোনাম

স্বপ্ন দেখি মানুষের জন্য কাজ করার : সুফিয়ান


স্বপ্ন দেখি মানুষের জন্য কাজ করার : সুফিয়ান

“মানুষের জন্য কাজ করতে হলে নির্বাচান করতে হয় না। দরকার হয় সদিচ্ছা। স্বপ্ন দেখি মানুষের জন্য কিছু করার। সে সদিচ্ছাও আছে। এজন্য নির্বাচন করা বা জনপ্রতিনিধি হবার স্বপ্ন আমার মধ্যে কখনও ছিলনা, এখনও নেই।”

১২ জানুয়ারি সকালে নারায়ণগঞ্জ টুডে’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একে এম আবু সুফিয়ান।

সাক্ষাৎকার গ্রহণকালে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সুফিয়ান আরো বলেন, “রাজনীতি করি দেশ ও মানুষের কল্যানের জন্য। তার মানে এই নয় যে, দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে হলে জনপ্রতিনিধি বা এমপি হতে হবে। সদিচ্ছা থাকলে জনপ্রতিনিধি না হয়েও দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা যায়। নির্বাচন করার বিষয়টি কেউ প্রচার করে থাকলে অসত উদ্দেশ্যে করেছে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “১৯৮৬ সালে শাপলা কুড়ির আসর শিশু সংগঠন দিয়ে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু। ৯১ সালে একই সংগঠন কদমরসুল ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং ৯২ সালে জেলার যুগ্ম সম্পাদক পদে নির্বাচিত হই। এছাড়া ওই একই বছর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হই।”

সুফিয়ান বলেন, “অপরদিকে ৯০ ও ৯২ সালে পর পর দু’বার কদমরসুল ইউনিয়ণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। এর পর ২০০২ সাল পর্যন্ত কোনো সম্মেলন না হওয়ায় থানা বা পৌর কমিটিতে স্থান করে নিতে পারিনি। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে বন্দর থানা যুবলীগের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। কিন্তু সাবেক সাংসদ এস এম আকরামের কুট চালে সভাপতি নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হই।”

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমার বাবা একে এম আবু সাঈদ ওরফে চুন্নু স্যার পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিন তিনবার তিনি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। সেই আদর্শবান পিতার অনুপ্রেরনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার দেখার স্বপ্ন নিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলাম। সেই বঙ্গবন্ধুর সুযৌগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এজন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে লাখো শুকরিয়া জানাই।”

৯০ এর শৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল দাবী করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগে স্থান পাওয়া তরুণ এই নেতা আরও বলেন, “৯১ থেকে ৯৬ পর্যন্ত বিএনপির আমলে ২৭ টি মামলা খেয়েছি এবং ৮ বার কারাবরণ করেছি, যার প্রতিটি মামলাই ছিল রাজনৈতিক। অন্যদিকে নিজ দলের বর্তমান শাসন আমলে ৫ টি মামলা খেয়েছি। যা নিজ দলের প্রতিপক্ষদের প্রতিহিংসার ফসল। তবে মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় সকল মামলায় খালাশ পেয়েছি।”

উপরে