NarayanganjToday

শিরোনাম

অতঃপর কপাল পুড়লো খোকার, আসছে নৌকার মাঝি!


অতঃপর কপাল পুড়লো খোকার, আসছে নৌকার মাঝি!

ভোট হয়নি, প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো না কেউ আর সেই সুযোগে মেঘ না চাইতে বৃষ্টির মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে যান লিয়াকত হোসেন খোকা। অবশ্য, এর নেপথ্যে সব থেকে বড় ভূমিকা যিনি নিয়েছিলেন তিনি প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমান। বলা হয়ে থাকে এই নেতার কল্যাণেই লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি নির্বাচিত হতে পেরেছিলেন। তবে, এবার সে সম্ভাবনা নেই। তাকে এমপি হতে হলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই হতে হবে।

সূত্র বলছে,  এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩৬টি আসনে ছাড় দিচ্ছে শরীরকদের। এসব আসনের মধ্যে জাপার দখলে আছে ২৫টি। এসব আসনে আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি। ছাড় দেওয়া আসনের তালিকাতে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ (বন্দর-সদর)-৫ আসন। এখানে বর্তমান সংসদ সদস্য হিসেবে রয়েছেন সেলিম ওসমান। তবে, এই তালিকাতে নেই নারায়ণগঞ্জ (সোনারগাঁ)-৩। এ আসনটির সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা। তিনি এবারও জাপা থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন।

জানা গেছে, জাতীয় পার্টি সারাদেশে ২১০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন লিয়াকত হোসেন খোকা। কিন্তু আওয়ামী লীগ ছাড়ছে ২৫টি। তাহলে বাকিগুলো কোথা থেকে আসবে? সূত্রের মতে, যে ২৫টি আসন জাপাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে সেলিম ওসমানের আসন থাকলেও পাওয়া যায়নি লিয়াকত হোসেন খোকার আসন। তাই বলা হচ্ছে, জাপার মনোনয়ন মানেই মহাজোটের মনোনয়ন নয়। সুতরাং লিয়াকত হোসেন খোকা এখনও পর্যন্ত মহাজোটের প্রার্থী নন।

এদিকে একটি সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে একজন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তিনি বিদ্রোহী নন। তাকেই শেষতক আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। তবে, এই একজন কে হবেন, আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত নাকি ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম? এ নিয়ে এখন চলছে নানা জল্পনা কল্পনা।

অপরদিকে বিভিন্ন সূত্র বলছে, জাপা হটাতে শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত সিনা টান করে দাঁড়িয়ে আছেন কায়সার হাসনাত। তিনি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানেও তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে, ২৬ নভেম্বর আওয়ামী লীগ মনোনয়ন চিঠি প্রদান করলেও সেখানে এ চিঠি পায়নি কায়সার। তারপরও মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ইসিতে নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দেন এই সাবেক সংসদ সদস্য। অনেকের কাছে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী।

তবে, সূত্রের মতে, এখনও কায়সার বিদ্রোহী প্রার্থী নন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে যদি তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করেন তবেই তিনি বিদ্রোহী। তাছাড়া আট তারিখে যদি তাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় তাহলে তিনি দলীয় প্রার্থী। ফলে এখনও আশার প্রদ্বীপ নিভে যায়নি কায়সারের। তার অনুসারিদের মতে, কায়সারই হবেন নৌকার মাঝি।

৩০ নভেম্বর, ২০১৮/এসপি/এনটি

উপরে