NarayanganjToday

শিরোনাম

স্বশিক্ষিত খোকার আয় বেড়েছে ৭ গুণ, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়


স্বশিক্ষিত খোকার আয় বেড়েছে ৭ গুণ, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

সংসদ সদস্য হওয়ার পূর্বে ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আয় করা লিয়াকত হোসেন খোকার বর্তমান বার্ষীক আয় ৭ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ২‘শ ৪৯ টাকা। এছাড়াও স্বশিক্ষিত এই সাংসদ গত ৪ বছরে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।

নির্বাচন কমিশনে লিয়াকত হোসেন খোকার মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনা করে এই তথ্য জানা গেছে। তিনি তার আয়ের উৎস দেখিয়েছেন তিনি একজন ব্যবসায়ী কালিরবাজার চারারগোপ এলাকায় কাঁচা পাকা ফলের আড়ৎ ও মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় লিবিবা ট্রেড লিং আইউব প্লাজার মালিক তিনি।

তবে, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে তিনি ছিলেন একজন চাকরিজীবি। চাকরির বেতন এবং ভাড়া বাবদ তিনি সেসময় তার আয় দেখিয়েছিলেন বেতন বাবদ ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং দোকান ভাড়া বাবদ ৩ লাখ ৫ হাজার ২‘শ ৮০ টাকা। সেসময় তার স্ত্রী বেকার ও কোনো আয়ের উৎস না থাকলে এবার তার স্ত্রী একজন ব্যবসায়ী এবং তার বার্ষীক আয় ব্যবসা থেকে ১১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ব্যাংকে সুদ ও শেয়ার থেকে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮‘শ ১৪ টাকা।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিয়াকত হোসেন খোক তার অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ অর্থ দেখিয়েছিলেন হাতে ২ লাখ এবং ব্যাঙ্কে ১ লাখ টাকা। তবে এবার এর পরিমাণ ৮১ লাখ ৬ হাজার ২‘শ ৮৮ টাকা, ব্যাঙ্কে রয়েছে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৪২ টাকা, শেয়ার রয়েছে ৮ লাখ টাকা এবং ব্যবসা বহির্ভূত সম্পত্তি ১৭ লক্ষ ৫ হাজার ৭৫০ টাকা যা ৪ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৩৭ গুণ।

এদিকে বিগত নির্বাচনী হলফনামায় লিয়াকত হোসেন খোকা তার স্ত্রী’র নামে অস্থাবর কোনো সম্পদ না দেখালেও এবার তিনি তার স্ত্রী’র নামে দেখিয়েছেন নগদ অর্থ ৫৭ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৫ টাকা, ব্যাঙ্কে ৯ লাখ ৪ টাকা এবং শেয়ার রয়েছে দুই লাখ টাকার।

অপরদিকে লিয়াকত হোসেন খোকার ব্যক্তিগত গাড়ি আগেও ছিলো না এখনও নেই। তবে তার স্ত্রী’র নামে আগে কোনো গাড়ি না থাকলেও এখন রয়েছে ২৪ লাখ ৩৫ হাজার ২৯ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি। এছাড়া এমপি হওয়ার পূর্বে খোকার কোনো স্বর্ণালঙ্কার বা অন্য কোনো ধাতুর অলঙ্কার না থাকলে এবার তিনি উপহার স্বরূপ পেয়েছেন ৩০ ভরি ও তার স্ত্রীর পেয়েছেন ৮৪ ভরি।

এছাড়া পূর্বের হলফনামায় লিয়াকত হোসেন খোকা যৌথ মালিকানায় ২৩ শতাংশ ভিটি জমির ৭ ভাগের এক ভাগ এবং ১৭ শতাংশ জমির উপর নির্মিত একটি মার্কেটে ৭ ভাগের এক ভাগ মালিকানা ছিলো এবার অবশ্য তিনি দেখিয়েছেন তার নামে ৮ শতাংশ একক মালিকানার জমি। তবে তার নামে কোনো বাড়ি নেই বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। এছাড়া এমপি হওয়ার পূর্বে তার স্ত্রী’র নামে কোনো বাড়ি না থাকলেও এবার তিনি তার স্ত্রী’র নামে শেয়ারে একটি তিন তলা বাণিজ্যিক ভবন দেখিয়েছেন।

৫ ডিসেম্বর, ২০১৮/এসপি/এনটি

উপরে