NarayanganjToday

শিরোনাম

খোকাতে আগ্রহ নেই, আলোচনায় মান্নান ও কায়াসার


খোকাতে আগ্রহ নেই, আলোচনায় মান্নান ও কায়াসার

২৪ দিন পরই একাদশ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এদিনই নির্ধারিত হবে কে হচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের নতুন সাংসদ। তবে, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে আজহারুল ইসলাম মান্নান ও সাবেক এমপি কায়সার হাসনাতকে ঘিরেই ভোটারদের আগ্রহ। কিন্তু ভোটের আলোচনায় পাত্তা পাচ্ছেন না বর্তমান সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা।

স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, এখানে নৌকা আর ধানের শীষের লোকই বেশি। লাঙলর লোক এখানে কয়েকজন মাত্র। কিন্তু এবারের নির্বাচনে এই আসনে নৌকা মার্কার প্রার্থী নেই। তারপরও কায়সারই নৌকার প্রর্থী। আর ধানের শীষের প্রার্থী মান্নান। লড়াই তাদের দুজনের মধ্যেই হবে।

তবে, ধানের শীষের জনসমর্থন এখানে ভালো থাকলেও এমপি হিসেবে আজহারুল ইসলাম মান্নান বেমানান বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, মান্নান একদমই লেখাপড়া জানেন না। নিজের নামটিও তিনি লিখতে পারেন না। মানুষের সাথে কথা বলার ধরণও তার ঠিক নেই। অনেকটা গোয়ার টাইপের আচরণ তার। এই তিনি সংসদে যেয়ে কী বলবেন, কী করবেন? আর এ কারণেই সবার মাঝে এ নিয়ে কিছুটা হতাশা বিরাজ করছে। সবাই বলছেন, তিনি উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত ঠিক ছিলেন কিন্তু এমপি হিসেবে একদমই তিনি যান না।

তবে, বিএনপির কর্মী সমর্থকেরা মান্নানকে সেভাবে গ্রহণ করতে না পারলেও ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে তার পক্ষে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। খুব শিগগিরই তারা বিশেষ করে ১০ ডিসেম্বর থেকে প্রচার প্রচারণায় মাঠে নামবেন।

অপরদিকে বর্তমান সংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা আবারও লাঙলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। কিন্তু এখনও তাকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার পক্ষে নামার কোনো ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেননি। বলা হচ্ছে, এই আসনে জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপিকে মহাজোটের প্রার্থী ঘোষনা করা হবে না। এই আসনটি উন্মুক্ত রাখা হবে। তাছাড়া খোকার সাথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাথেও ভালো সম্পর্ক নেই। তার মধ্যে আবারও স্থানীয় জাতীয় পার্টির সাথেও তার রয়েছে গ্রুপিং। ফলে এবারের নির্বাচনটা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সাবেক এমপি কায়সার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু দল থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। শুধু তিনি তা নন, এখানে নৌকার প্রার্থী হিসেবে কাউকেই এখনও পর্যন্ত মনোনীত করা হয়নি। এমনকি মহাজোটের প্রার্থীও ঘোষনা করা হয়নি কাউকে। তবে, শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করবে কায়সার হাসনাত। এমন চিন্তা ভাবনা থেকে তিনি এখনও পর্যন্ত মাঠে রয়েছেন।

সাধারণ ভোটরার বলছেন, এখানে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এখানে দ্বিমুখী লড়াই হবে। আর সেটি হবে মান্নান ও কায়সারের সাথে। এবারের নির্বাচনে খোকা পাত্তা পাবেন না। তবে, শেষ হাসি ঠিক কে হাসতে পারেন, সেটি বলা এখন মুশকিল।

৫ ডিসেম্বর, ২০১৮/এসপি/এনটি

উপরে