NarayanganjToday

শিরোনাম

রাজনীতি করছি, ধান্ধা করতে আসি নাই : শামীম ওসমান


রাজনীতি করছি, ধান্ধা করতে আসি নাই : শামীম ওসমান

বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং পরবর্তীতে তার পিতা সামসুজ্জোহা, নাসিম ওসমান এবং তার মা নাগিনা জোহার সাহসিকতার স্মৃতিচারণ করে সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, রাজনীতি করছি, ধান্ধা করতে আসি নাই। দিনে বিএনপি আর রাতে জামায়াত এবং মোশতাক মার্কা রাজনীতি করতে চাই না।

শনিবার (২ মার্চ ) বিকেল সাড়ে তিনটার সময় নগরীর দুই নং রেলগেইট এলাকার মিডটাউন শপিং কমপ্লেক্সেও সামনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসমাবেশে ওই কথা বলেন তিনি।

হকার উচ্ছেদ এবং শ্রমিক নিয়ে শামীম ওসমান বলেন, উলফার টাকা নিয়ে যারা পত্রিকা করে তাদের গায়ে তো লাগবেই হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে কথা বললে। আজ অনেকেই বড় আওয়ামী লীগার সাজেন। এটা সত্য, আমার ভাই সেলিম ওসমান পরিশ্রম করে টাকা কামিয়েছেন। লুটপাট করে তিনি টাকা কামান নাই।

তিনি বলেন, সেদিন আমার ভাই সেলিম ওসমানকে ধরে নিয়ে গেলো বড় ভাই নাসিম ভাইয়ের সম্পর্কে জানার জন্য। তখন আমার মায়ের চোখে এক ফোটা পানি আমি দেখি নাই। তিনি সেদিন বলেছিলন, তোমরা আমার একটা ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছো। আরেকটা ছেলে আছে এইটে পড়ে তাকেও নিয়ে যাও। কিন্তু মনে রেখো আমার আরেকটা ছেলে আছে বাইরে। সে কিন্তু একজনের বংশও রাখবে না। সেদিন আমার মায়ের কথা শুনে খুনিদের বুকে ভয় লেগেছিলো। ওইদিন আমার সেলিম ভাইকে মাথা নিচে দিয়ে পা উপরে ঝুলিয়ে দিয়ে টর্চার করেছিলো। চুরটের আগুন দিয়ে ছ্যাকা দিয়েছিলো।

শামীম ওসমান বলেন, এখানে অনেকেই আছেন, হিন্দু বাড়ি লুট করে ধনী হয়েছেন। আমরা কারো বাড়ি ঘর লুট করিনি। আমরা জানি অভাব কি। হকার উচ্ছেদ করলেতো আমাদের গায়ে লাগবেই। আমি সেই পরিবারের সন্তান যে পরিবার ৭৫ এর পরে অভাবে থাকলেও লুট করেনি। আমি ৯‘শ টাকার জন্য  ফরম ফিলাপ করতে পারি নাই। আমাদের বাড়ি নিলামে উঠেছিলো। সেদিন শ্রমিকেরা আমাদের বাড়ি এক টাকা করে চাঁদা দিয়ে বাড়ি ছাড়িয়ে দিয়েছিলো। সেদিন আমার বাবা বলেছিলেন, রাজনীতি যদি করতে হয় গরীব এই শ্রমিকের জন্য করো।

জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, অ্যাড. ওয়াজেদ আলী খোকন, যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রফেসর শিরিন বেগম, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাত জাহান স্মৃতি, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, বিলুপ্ত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ও আওয়ামীলীগ নেতা মতিন প্রধান, নাজমুল আলম সজল, সুলতান আহমেদ ভূইয়া, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহসিন মিয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা এহসানুল হাসান নিপু, কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, শাহ জালাল বাদল, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ লিটন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম রাফেল প্রধান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু প্রমূখ।

২ মার্চ, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে