NarayanganjToday

শিরোনাম

শপথের ৩ মাসের মাথায় মন্ত্রী গাজী’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন


শপথের ৩ মাসের মাথায় মন্ত্রী গাজী’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার তিন মাসের মাথায় গোলাম দস্তগীর গাজীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের এক চেয়ারম্যান ও ৬ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। সংবাদ সম্মেলনে তারা উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী’র প্রভাব বিস্তারের ফিরিস্তি তুলে ধরেন।

শনিবার (২৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে কেবল মাত্র জাতীয় দৈনিক ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা চেয়ারম্যান প্রার্থী তাবিবুল কাদির তমাল এবং কলল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শায়লা তাহমিন সাথী।

এতে উপস্থিত ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী লায়ন মো. হাবিবুর রহমান হারেজ (তালা), ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. মো. স্বপন ভূইয়া (টিয়া), ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তার চম্মা (ফুটবল) ও মোসাম্মৎ হ্যাপি আক্তার (সেলাই মেশিন)।

তারা লিখিত বক্তব্যে মন্ত্রী গাজীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে নগ্ন হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ধরেন। সে খানে তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী একজন চেয়ারম্যান, দু’জন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে একটি প্যানেল তৈরি করেন। তারা হলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী শাজাহান ভূইয়া (নৌকা), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দা ফেরদৌসী আলম নীলা (হাঁস) এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহরিয়ার পান্না সোহেল (চশমা)।

সংবাদ সম্মেলনে তমাল ও তাহমিনা অভিযোগ করে বলেন, মন্ত্রী গাজীর প্যানেলের বাইরে উপজেলা নির্বাচনে আর অন্য কোনো প্রার্থী কোনো রকম প্রচারণা চালাতে পারছেন না। কেউ প্রচারণা চালাতে গেলে সেখানে হামলা করা হচ্ছে এবং কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী তাবিবুল কাদির তমাল বলেন, প্রচারণার শুরু থেকেই আমার কর্মীদের প্রকাশ্যে ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভয়-ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে নির্বাচনী কাজে বাধা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৫ মার্চ আমার কর্মী সমর্থকরা পোস্টার লাগাতে গেলে তাদের কাছ থেকে পোস্টার ও এর উপকরণ কেড়ে নিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। এবং তাদের মারধর করা হয়। এছাড়াও কিছু কিছু স্থানে লাগানো পোস্টার তারা ছিড়ে ফেলে।

তমাল বলেন, বিভিন্ন সময় প্রচারণা চালানোর সময় ৭টি মেশিনসহ মাইক এবং চালককে মারধর করা হয়।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শায়লা তাহমিন সাথী অভিযোগ করেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী তিন জনের একটি প্যানেল করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাচনে। এই প্যানেলের বাইরে আমাদেরকে কোনো রকম প্রচার প্রচারণা চালাতে দিচ্ছে না। এখানে সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো রকম পরিবেশ নেই। এরমধ্য দিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।

২৩ মার্চ, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে