NarayanganjToday

শিরোনাম

জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে মামুনের ভানুমতির খেল


জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে মামুনের ভানুমতির খেল

নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি নিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদের ভানুমতির খেলাতে ক্ষুব্ধ বিক্ষুব্ধ অনেকেই। কমিটি পেয়েছেন এমন তথ্য তিন চারদিন আগে প্রচার করিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করান এই দুরন্ধর ব্যক্তিটি। তবে, দুই তিনদিন আগে কিমিট দেওয়া হয়েছে বলা হয়েছিলো সেই কমিটি বুধবার (২৭ মার্চ) অনুমোদন করে সংবাত বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমেদ।

সূত্র বলছে, দুইদিন পূর্বে মামুন মাহমুদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছে কেন্দ্র ২০৪ সদস্য বিশিষ্ট জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেছে। এমন মিথ্যা এবং ভুল তথ্য সংবাদ কর্মীদের সরবারহ করে বিব্রান্ত ছড়িয়েছেন তিনি, এমন অভিযোগ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর। তারা বলেন, তিনি ছলচাতুরী আশ্রয় নিয়েছেন। যা ২০১৭ সাল থেকে তিনি আংশিক কমিটি গঠনের পর থেকেই করে আসছিলেন। এসবের মধ্য দিয়েই এই মামুন একটি গাড়িও করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে জেলা বিএনপির ২০৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্র অনুমোদন দিয়েছেন এমনটি প্রচার করলেও শেষ পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে এই কমিটির আকার ২০৫ সদস্য। এছাড়াও এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন প্রক্রিয়া নিয়েও দলটির অন্যান্য নেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।

দলটির আংশিক কমিটিতে থাকা অনেক নেতাই ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মামুন মাহমুদ একজন শিল্পপতিকে খুশি করতে কাউকে না জানিয়ে এই কমিটির নাম তালিকা করেছেন। এ নিয়ে তিনি কারো সাথেই কোনো ধরণের আলোচনা করেননি। যা দলীয় গঠনতন্ত্র বিরোধী।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান মনিরকে সভাপতি ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৬ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ দাবি করেন, ১৫ জনকে সহ সভাপতি, ৫ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৩ জনকে সাংগঠনিক ও ৩ জনকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়া কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ্ আলম দল থেকে পদত্যাগ করায় তাকে কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তবে তালিকায় অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীর নাম পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি বেশ কয়েকজন নেতা।

অনেককে না জানিয়েই তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিষয়ে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ আরও দাবি করেন, কমিটিতে ত্যাগী নেতাদেরই জায়গা দেয়া হয়েছে। দলের জন্য বিগত সময়ে যারা কাজ করেছে তারাই কমিটিতে পদ পেয়েছে। কেউ যদি মনে করে তার নাম আছে কি নাই সে তো আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। যোগাযোগ না করেই তো জানা সম্ভব না কমিটিতে আছে নাকি নাই।

তিনি আরো জানান, আগামীকাল পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

সর্বশেষ ২০০২ সালে অধ্যাপক রেজাউল করিম ও এড. তৈমূর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির কমিটি পূর্ণাঙ্গতা পেয়েছিল।

২৭ মার্চ, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে