NarayanganjToday

শিরোনাম

একদিন না যেতেই নতুন মৎসজীবী দলে পদত্যাগের হিড়িক!


একদিন না যেতেই নতুন মৎসজীবী দলে পদত্যাগের হিড়িক!

কমিটি গঠনের একদিন না যেতেই ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ জেলা মৎসজীবী দলে। 

দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির মধ্যে ৩ জনই পদক্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সংগঠনটির কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এর একদিন পরই বুধবার (১৫ মে) ওই তিনজন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের কাছে নিজেদের পদত্যাগ পত্র প্রেরণ করেছেন। এছাড়া পদত্যাগ পত্রের কপি নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রেরণ করেছেন।

পদত্যাগকারীরা হলেন-জেলা মৎসজীবী দলের সাবেক আহবায়ক মো গিয়াস উদ্দিন প্রধান, জেলা মৎসজীবী দলের নেতা ডা মো: হামিদুল¬াহ ও মহানগর মৎসজীবী দলের নেতা শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন।
 
নবগঠিত কমিটিতে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন প্রথম ১০ নং যুগ্ম আহবায়ক ডা. মো: হামিদুল¬াহ এবং  গিয়াস উদ্দিন প্রধানকে করা হয়েছে ১নং সদস্য। 

১ম যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া শহরিয়ার চৌধুরী ইমন পদত্যাগ পত্রে উল্লে¬খ করেছেন, তিনি বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন তাকে জেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক কমিটিতে ১ম যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয়েছে। তিনি কখনই জেলা রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না। শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন বরাবরই নারায়ণগঞ্জ মহানগর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

যার প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মহানগর মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক করে একটি আহবায়ক কমিটির সুপারিশ করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু কারও ইশারায় তাকে মহানগরের দায়িত্ব না দিয়ে জেলা একটি পদে রাখা হয়েছে। যা অনাকাংখিত। আর তাই তিনি যুগ্ম আহবায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর
মৎস্যজীবি দলের সাথে ছিলেন এবং মহানগরের সাথেই থাকতে চান।

১০ যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া ডা. মো: হামিদুল¬াহ পদত্যাগ পত্রে উলে¬খ করেছেন, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জেলা মৎস্যজীবি দলের এই পদ দেয়া হয়েছে।  তিনি বরাবরই জেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। যার প্রেক্ষিতে জেলা মৎস্যজীবি দলের সদস্য সচিব হিসেবে সুপারিশ করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছিল। কিন্তু কারও ইশারায় তাকে জেলা মৎস্যজীবি দলের সদস্য সচিব হিসেবে না দিয়ে ১০ম যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে। যাহা অনাকাঙ্খিত, তাই তিনি জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি মৎস্যজীবি দলের হয়ে বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও মৎস্যজীবি দলের সদস্য সচিব হিসেবে সম্পৃক্ত থাকতে চান।

১নং সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া গিয়াস উদ্দিন প্রধান পদত্যাগ পত্রে উলে¬খ করেছেন, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জেলা মৎস্যজীবি দলের এই পদ দেয়া হয়েছে। তিনি বরাবরই জেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক ছিলেন। যার প্রেক্ষিতে জেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক পদে সুপারিশ করে কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছিল। কিন্তু কারও ইশারায় তাকে জেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক না করে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। যাহা অনাকাঙ্খিত, তাই তিনি জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  তিনি মৎস্যজীবি

দলের হয়ে বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকতে চান।
১৫ মে, ২০১৯/এমএ/এনটি


 

উপরে