NarayanganjToday

শিরোনাম

সেন্টুর ফেরার অবশিষ্ট পথটুকু আর খোলা রইলো না!


সেন্টুর ফেরার অবশিষ্ট পথটুকু আর খোলা রইলো না!

মনিরুল আল সেন্টু, যাকে বিএনপি নেতা হিসেবেই জানে এবং চিনে সবাই। তবে, গেল ৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাংসদ শামীম ওসমানকে তোষণ করার অভিযোগ উঠেছে। গেল নির্বাচনে যিনি প্রকাশ্যে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার অপরাধে নিজ দল বিএনপি থেকে বহিস্কারও হয়েছেন।

এত কিছুর পরও তাকে বিএনপি নেতা বলেই মানেন দলটির তৃণমূল। সবার ধারণা, হয়তো দল তার বিরুদ্ধে বহিস্কারাদেশ তুলে নিবে। সেন্টু পূর্বের রূপে ফিরবেন বিএনপিতে। কিন্তু এবারের ঈদে একটি পোস্টার সে আশার গুড়ে বালি ছিটিয়ে দিয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে পাওয়া গেল এবারের ঈদে শামীম ওসমানের ছবি সম্বলিত মনিরুল আলম সেন্টুর একটি ‘ঈদ শুভেচ্ছার’ পোস্টার। আর এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা, সমালোচনা। এবং একই সঙ্গে এক বাক্যে সবাই বলছে, সেন্টু আপদমস্তক আওয়ামী লীগের ঘরেই প্রবেশ করেছেন। তা না হলে আর যাহোক, আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদের ছবির সাথে নিজের ছবি সম্বলিত পোস্টার হতো না।

প্রকাশিত পোস্টারটিতে পৃথক দুটি বাণী দেখা যায়। যার একটি সাংসদ শামীম ওসমানের নামের উদ্ধৃতি দিয়ে লেখা এবং অপরটি মনিরুল আলম সেন্টুর উদ্ধৃতিতে। পাশাপাশি উপরের বাম অংশে সাংসদ শামীম ওসমানের ছবি এবং নিচের ডান অংশে মনিরুল আলম সেন্টুর ছবি। এবং সর্বশেষ যার সৌজনে পোস্টারটি করা হয়েছে সেই অনামিকা হকের ছবি ও নাম। তিনি কুতুবপুর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।

সাংসদ শামীম ওসমানের উদ্ধৃতি দিয়ে লেখা হয়েছে, “প্রতিটি মানুষ তাঁর কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। আমি নারায়ণগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই, মৃত্যুর পরও যেন জনগণ আমার জন্য দোয়া করে।”

এছাড়া মনিরুল আলম সেন্টুর উদ্ধৃতি দিয়ে লেখা হয়েছে, “গত পাঁচবছরে কুতুবপুরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে কুতুবপুরের অসম্পূর্ণ কাজ সমাপ্ত করবো- ইন্শাআল্লাহ। আসুন- আমরা দলমত নির্বিশেষে সন্ত্রাস মাদক ও ইভটিজিং মুক্ত সমাজ গড়ি।”

এদিকে প্রকাশিত এই পোস্টার সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিএনপির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা আশায় ছিলাম সেন্টু ফিরবে। দল তাকে আবারও ফেরাবে। কিন্তু তিনি নিজেই ফেরার সব পথ রূদ্ধ করে দিয়েছেন। তারা ফেরার অবশিষ্ট পথটুকু আর খোলা রইলো না।

১৪ আগস্ট, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে