NarayanganjToday

শিরোনাম

ফতুল্লা থানায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে একই দিনে একাধিক অভিযোগ


ফতুল্লা থানায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে একই দিনে একাধিক অভিযোগ

ফতুল্লায় শামীম ওসমান অনুসারি এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে একই দিনে পৃথক চারটি অভিযোগ জমা পরেছে থানায়। মারধর করার অভিযোগ তুলে কথিত যুবলীগ নেতা এম ও এফ খোকনসহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হয়েছে।

৬ সেপ্টেম্বর রাতে থানার কুতুবপুর এলাকার সজল, সোহাগসহ আরও দুই ব্যক্তি পৃথক ভাবে এসব অভিযোগ দায়ের করেন ফতুল্লা মডেল থানায়। এসব ঘটনার পর কুতুবপুরজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুলিশ একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, আমর একটি অভিযোগ পেয়েছি। একজন দোকানী অভিযোগ করেছেন। সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে তিনটি টীম পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তখন আরও কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ফের হামলা ভাঙচুর হতে পারে এমন খবর পেয়ে আজও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগ পত্রটি আমরা তদন্ত করছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

কুতুবপুরের শাহী বাজার এলাকার আবু হানিফ শেখের ছেলে সজল তার অভিযোগে দাবি করেন,  একই এলাকার জালাল ড্রাইভারের ছেলে এম ও এফ খোকন তার সহযোগি সিরাজ মিয়ার ছেলে শ্যামল, শাজাহান গাজীর ছেলে শরীফমৃত গোলাম আলীর ছেলে মানিক, হিরন, জাহাঙ্গীর, মামুন, হেদায়েত উল্লাহ ও অনিকসহ আজ্ঞাত আরও ১০ ১২ জন আমার দোকানে এসে আমাকে গালাগাল করতে থাকে এবং দোকানের মালামাল লুট করার চেষ্টা করে। এসময় তাদের বাধা দিলে তারা অস্ত্রশস্ত্রসহ আমার উপর হামলা চালায়।

তিনি আরও বলেন, ওই সময় আমার পিতা আবু হানিফ শেখ আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এবং হকস্টিক দিয়ে তার মাথা ফাঁটিয়ে দেন। পরে স্থানীয় লোকজন আমাদেরকে উদ্ধার করে নগরীর খানপুর হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করেন।

এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, এম ও এফ খোকন নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে দাবি করেন এবং তিনি শামীম ওসমানের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এছাড়া তার দাবি তার পিতা জালাল ড্রাইভার বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি চালাতেন আগে। এমন কথা বলে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন তিনি। তার যন্ত্রণায় স্থানীয়রা অতিষ্ট বহু আগের থেকেই।

সূত্র বলছে, ৭ সেপ্টেম্বর শামীম ওসমানের সমাবেশে এম ও এফ খোকনের নেতৃত্বে একটি মিছিল আসে। মিছিলে লোকজন জড়ো করার জন্যই ভয়ভীতি প্রদর্শন করার জন্য তিনি আগের দিন ৬ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েকজনকে মারধর করেন। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে চাপা ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে