NarayanganjToday

শিরোনাম

বিএনপি নেতা রোকন মেম্বারকে নিয়ে কুতুবপুর আ.লীগে তোলপাড়


বিএনপি নেতা রোকন মেম্বারকে নিয়ে কুতুবপুর আ.লীগে তোলপাড়

সবেমাত্র যোগ দিলেন তিনি। এখনো গা থেকে মুছে যায়নি বিএনপির ঘ্রান। তারপরেও আসন গেড়েছেন জেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার মাঝের চেয়ারটিতে। খায়েশ আছে সামনের কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের মূল পদপদবীর দিকেই, কারন লবিং তার জোরালো।

হ্যা, তিনি হচ্ছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি রোকন মেম্বার।

১৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিকদার মো. গোলাম রসুল ও কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী জসিম উদ্দিনে সদস্য সংগ্রহ অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় নব্য আওয়ামী লীগার রোকন মেম্বারের প্রাধান্যমূলক উপস্থিতি স্থানীয় ত্যাগি নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এমন অনেক নেতাও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কুতুবপুরে ত্যাগি নেতাকর্মীরা এখনো মর্যাদা পায়নি। অথচ কোন শক্তিবলে সদ্য আসা বিএনপি নেতা রোকন মেম্বার আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকের আসনে ঠাঁই পেয়ে যায়। এভাবে হলে আগামী কাউন্সিলের অনেক বিএনপি-জামাত-শিবির আওয়ামী লীগের নেতা বনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাতে দলের সাধারন নেতাকের্মীদের বলার কিছু থাকবে না।

যদিও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশনা অন্য দল থেকে আসা কাউকেই নেতৃত্ব দেয়া যাবেনা। দলীয় গঠনতন্ত্রেও রয়েছে বিধিনিষেধ।

১৬ সেপ্টেম্বর কুতুবপুরে নুরবাগ এলাকায় এক দলের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচীর আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির পাশের বসে থাকতে দেখা যায় এই নব্য আওয়ামী লীগারকে । এমন একটি ছবি ফেসবুক সহ নানা যোগাযোগ মাধ্যেমে দেখা যায়। এবিষয় ফেসবুক সহ নানা যোগাযোগ মাধ্যেমে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ।

এ বিষয়ে আরো জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। নব্য আওয়ামী লীগার রোকন মেম্বার কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী জসিম উদ্দিনের ছোট ভাই আর তাই দলে ছোট ভাইকে পদ পাইয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বড় ভাই জসিম উদ্দিন। বিষয়টি নিয়ে জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাদের দৃষ্টি দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তৃনমূল নেতাকর্মীরা।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে