NarayanganjToday

শিরোনাম

ঢাকা-না.গঞ্জ রুটে যাত্রী হয়রানির শেষ কোথায়?


ঢাকা-না.গঞ্জ রুটে যাত্রী হয়রানির শেষ কোথায়?

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলরত বাস সার্ভিস নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের শেষ নেই। এতো এতো অভিযোগ যে যা বলে কয়েও শেষ করার মতো না। প্রতিদিনই যাত্রীরা এসব বাস সার্ভিস থেকে নানা ধরণের হয়রানি ও কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলছেন।

এসব বাস সার্ভিসের মধ্যে ‘বন্ধন’ ‘উৎসব’ ও ‘হিমাচল’ অন্যতম। এসব বাস সার্ভিসে টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রী ওঠানো নিষেধ থাকলেও ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ ফেরার পথে কাজলা এলাকা পার হওয়ার পর থেকেই ইচ্ছে মতো যত্রতত্র যাত্রী তোলা হচ্ছে। আবার ঢাকায় যাওয়ার পথে ভূইঘর থেকে শুরু হয় যাত্রী ওঠানো। প্রতিবাদ করতে গেলেই চালক ও হেলপারের অশালীন ব্যবহার জুটে যাত্রীদের ভাগ্যে।

এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যাত্রী অভিযোগ তুললেও কোনো প্রতিকার নেই। ফেসবুকেও এসব নিয়ে মাঝে মাঝে লেখালেখি হয়। এরমধ্যে ‘কয়েন’ ব্যবসা তো প্রতিটি কাউন্টারে বেশ জমজমাট। কিন্তু কোনো যাত্রী কয়েকন দিলে কাউন্টরে সেসব গ্রহণ করতে চায় না। অথচ কাউন্টার থেকে ঠিকই যাত্রীদের গছিয়ে দেয়া হচ্ছে কয়েন।

শুধু তাই নয়, কাউন্টারে থাকা ব্যক্তিগুলোর ব্যবহার নিয়েও নানা প্রশ্ন ওঠে নানা সময়। অভিযোগ ওঠে তাঁরা যাত্রীদের সাথে অশোভন আচরণ করে। তেমনই এক অভিযোগ তুলে নারায়ণগঞ্জস্থান গ্রুপে একটি পোষ্ট করেছেন ‘অর্ণব সাব্বির’ নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী। তিনি সরাসরি বাজে ব্যবহারের জন্য উৎসব বাস কাউন্টারের লোকজনকে দায়ী করেন এবং আহ্বান জানান এই বাস সার্ভিসটি বর্জন করার।

অর্ণব সাব্বির লিখেছেন, “টিকেট কিনছি ৩০ মিনিট প্লাস হইছে বাট গাড়ির কোনো খোঁজ খবর নেই (ঞরপশবঃ করহঈর ৩০ গরহরঁঃব + ঐড়রপব...ইঃ এধৎরৎ কড়হড় কযড়ল কযড়নড়ৎ হু)। উৎসব কাউন্টারে লোকগুলার কথা-বার্তার স্টাইল এতটাই খারাপ যে...বলার বাহিরে। যাত্রির পর যাত্রি জমতেই আছে বাট তাদের গাড়ি নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নাই। আসুন আমরা বর্জন করি উৎসব পরিবহন।”

উপরে