NarayanganjToday

শিরোনাম

রাজপথে থেকেও মূল্যায়ন পায়নি সাখাওয়াত-কামাল


রাজপথে থেকেও মূল্যায়ন পায়নি সাখাওয়াত-কামাল

বিএনপি’র ক্রান্তিকালে যখন দলীয় নেতাকর্মীরা মাঠে নামতে সাহস দেখায়নি। আসেনি পদদারী বড় বড় নেতারাও ঠিক সেসময় অল্পবিস্তর হলেও নেতাকর্মী নিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করতেন অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও এটিএম কামাল। প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতেই ছিলেন তারা। লড়েছেন পুলিশের সাথেও। কিন্তু দল তাদের মতো ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করেনি মনোনয়নের ক্ষেত্রে। অভিমান ভরা কণ্ঠে এমনই অভিযোগ করেন দলটির তৃণমূল।

তারা বলছেন, একদিকে পুলিশ অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, জেল জুলুমের শিকার হয়ে দল করে কী লাভ যদি না দল মূল্যায়ন করে? যাদের হাতে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে হাতে গোনা দুই একজন ছাড়া বাকী একজনও দলের কর্মসূচিতে আসেনি। তাদেরকে পাওয়াও যায়নি। তারা হামলা মামলার স্বীকারও হয়নি। জেলও খাটেনি। অথচ দল তাদেরকেই মনোনীত করেছে দলীয় প্রার্থী হিসেবে।

তাদের মতে, তৃণমূল যখন মামলা জর্জড়িত তখন আজকের মনোনয়ন প্রাপ্তরা খবরও নেয়নি। জামিনের জন্য কোনো সহযোগিতাও করেননি। এমন অবস্থায় সাখাওয়াত হোসেন নিজ খরচে জেলার বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের মামলা লড়েছেন। জামিন করিয়েছেন। এমনকি বিপদগ্রস্থ কর্মীদের পাশে গিয়েছেন, খোঁজ নিয়েছেন। সে হিসেবে দলীয় মনোনয়ন তার প্রাপ্য ছিলো। কিন্তু দল সেটি করেনি।

এটিএম কামালের ক্ষেত্রেও এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন অনেকে। তারা বলেন, হরতাল, অবরোধ, মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ যে কোনো কর্মসূচিতেই অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। পুলিশের হামলার শিকারসহ জেল খেটেছেন অসংখ্যবার। কিন্তু মনোনয়নের ক্ষেত্রে টাকার কাছেই হেরেছেন তিনি। দলীয় মনোনয়ন চেয়েও বঞ্চিত হয়েছেন মহানগর বিএনপির এই সাধারণ সম্পাদক।

তৃণমূল বলছে, টাকা হলে যখন দলের কাছে মূল্যায়ন পাওয়া যায় তাহলে আগে টাকার ব্যবস্থা করি পরে না হয় দল করবো। এর থেকেই আমাদের শেখা হচ্ছে। নেতৃত্ব থেকে শুরু করে মনোনয়ন, সব কিছুই নির্ভর করে টাকায়।

 ২৭ নভেম্বর, ২০১৮/এসপি/এনটি

উপরে