NarayanganjToday

শিরোনাম

বন্দরে ইভিএম নিয়ে প্রার্থীদের আপত্তি নেই, শঙ্কা রয়েছে কিছু


বন্দরে ইভিএম নিয়ে প্রার্থীদের আপত্তি নেই, শঙ্কা রয়েছে কিছু

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা নির্বাচনে সবকটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট গ্রহনের ঘোষনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নেতিবাচক ভাবে না দেখলেও এখানকার ভোটাররা এর সাথে পরিচিত নয় বলে কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। তবে, সবাই বলছেন, ভোটগ্রহণের পূর্বে ভোটারদেরকে এর সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে।

এদিকে দেশের বৃহত্তম দল বিএনপি ইভিএম প্রদ্ধতির বিরোধীতা করলেও এই দলের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও সম্ভাব্য প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুল এই প্রদ্ধতির বিপক্ষে নন বলেই জানিয়েছেন। তার মতে, এ নির্বাচন তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। সরকার ছিনিয়ে নিলে নিয়ে যেতে পারে তাতে কিছু আসবে যাবে না।

আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ বলেন, এই প্রদ্ধতির সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনোভাবেই পরিচিত না। তেমনি আমার নির্বাচনী এলাকার ভোটারগনও পরিচিত না। সুতরাং একেবারে অপরিচিত প্রদ্ধতিতে ভোটাররা ভোট দিতে গেলে সমস্যার সম্মুখিন হতে পারেন।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ প্রদ্ধতি বাতিল হোক চাই না। নতুন প্রদ্ধতিতে ভোট দেয়ার বিষয়টি শেখারও প্রয়োজন আছে। আর এ প্রদ্ধতিতে ভোট কারচুপির কোনো আশংকাও করছিনা আমি।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ সালাম বলেন, নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তকে অবশ্যই ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। কেননা এই প্রদ্ধতির মাধ্যমে ভোট গ্রহণ দ্রুত হয় এবং নির্ভূল ফলাফল পাওয়া যায়।

তবে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কিছুটা সংশয় প্রকাশ করে বলেন, যেহেতু এ প্রদ্ধতি এখানকার ভোটারদের কাছে সম্পূর্ন নতুন সেহেতু ভোট দিতে গিয়ে সাধারণ ভোটারগন কিছুটা সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে আমার বিশ্বাস নির্বাচনের আগে এ ব্যপারে ভোটারদের ভালোভাবে প্রশিক্ষন দেয়া হলে আর কেনো সমস্যা হবে না।

বিএনপি দলীয় প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল বলেন, ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণটাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি, নেতিবাচক হিসেবে দেখার কিছু নাই। কেননা এটি কোনো গুরুত্বপূর্ন নির্বাচন নয়। সরকার যদি তাদের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে যায় নিবে। তা নিয়ে আমি চিন্তিত নই বা কোনো ধরণের আফসোস থাকবে না।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার দল সবসময় ইভিএমএ’র বিরুদ্ধে তা আমি জানি। কিন্তু আমি এর বিপক্ষে নই।

অন্যদিকে আরেক হেভীওয়েট প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ানের মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

১২ মে, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে