NarayanganjToday

শিরোনাম

জেলাজুড়ে তোলপাড় : প্রধানমন্ত্রীর কালো তালিকায় না.গঞ্জের কোন এমপি?


জেলাজুড়ে তোলপাড় : প্রধানমন্ত্রীর কালো তালিকায় না.গঞ্জের কোন এমপি?

নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপিসহ দেশের ২৭ জন এমপিকে কালো তালিকাভূক্ত করা হয়েছে বলে একটি গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাসহ নিজস্ব একটি টিমের মাধ্যমে তাদের অপকর্মের তদন্ত করছেন বলে নিউজ পোর্টাল বাংলা ইনসাইডার খবর প্রকাশ করেছে।

কালো তালিকাভূক্ত নারায়ণগঞ্জের এমপি সম্পর্কে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি যার সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের প্রকাশ্য দ্বন্দ দেখা দেয় তাঁকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ তবে কে সেই এমপি সে নাম ওই প্রতিবেদনটিতে প্রকাশ করা হয়নি।

শুধু নারায়ণগঞ্জের এই এমপিই নন, আরও যেসব এমপিদের কালো তালিকাভূক্ত করা হয়েছে তাদের নাম কিংবা কোন সংসদীয় আসন থেকে তারা নির্বাচিত হয়েছেন, সে বিষয়ে বিশদ কিছু বলা হয়নি প্রতিবেদনটিতে। তবে, নারায়ণগঞ্জের কালো তালিকাভূক্ত একজন এমপির কথা উঠে আসায় এ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে জেলাব্যাপী। সবার মুখে মুখেই এখন একটাই প্রশ্ন, ওই প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে, কে সেই এমপি?

ইনসাইডারের ওই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, শুধু ছাত্রলীগ কিংবা যুবলীগই নয়; ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অপকর্মেরও তদন্ত করা হচ্ছে। এই তালিকায় ক্ষমতাসীন দলের এমপি-মন্ত্রীরাও রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর একটি নিজস্ব টীম এই কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ইনসাইডার তাদের প্রতিবেদনে আরও বলেছে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন অপরাধ এবং অনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত ২৭ জন এমপিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই ২৭ জন এমপির মধ্যে ঢাকার এমপি অন্তত তিনজন। এদের একজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শ্মশানঘাটের জমি দখল করার অভিযোগ রয়েছে। আরেক এমপির বিরুদ্ধে রয়েছে টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের লালন পালনের অভিযোগ।

ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি যার সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের প্রকাশ্য দ্বন্দ দেখা দেয় তাঁকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর, রাজশাহীসহ অন্তত ১৭টি জেলার ২৭ এমপির বিরুদ্ধে এ ধরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

মতিঝিলের ক্যাসিনোতে রাশেদ খান মেননের নাম উঠে আসা সম্পর্কে প্রতিবদেনটিতে বলা হয়েছে, মতিঝিল এলাকায় যেমন যুবলীগের ক্যাসিনোর বিষয়ে সাংসদ রাশেদ খান মেননের সম্মতি ছিল ঠিক তেমনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকা-ে এমপিদের যোগসাজশ রয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এমপি হয়ে এরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব টিম দিয়ে এই অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছেন। ধারণা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ফিরে আসার পর এমপিদের বিরুদ্ধেও এই ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত করা হবে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে