NarayanganjToday

শিরোনাম

লাশ দাফন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি : শামীম ওসমান


লাশ দাফন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি : শামীম ওসমান

‘এই হাত দিয়া লাশ দাফন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি’ বলে মন্তব্য করে সাংসদ শামীম ওসমান বলেছেন, আমরা শুধু লাশ হয়েছি লাশ। এখানে চন্দশীল বসা আছে। বোম ব্লাস্ট হয়েছে, বিশটা মানুষ নাই হইয়া গেছে। ৯৫ থেকে ৯৬ নব্বই ক্ষমতায় আসার সময় স্রেফ তিন মাসে আমাদের ১২ টা ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সারা বছরের হিসাব বাদই দিলাম। নিজেরাও লাশ হয়ে যাবো কখন জানি, তা নিজেরাও জানি না।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে ইসদার পৌর ওসমানী স্টেডিয়ামে ডিসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কথা বলেন তিনি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

শামীম ওসমান বলেন, এখানে আমি শুধু এসছি একটা কারণে। হয়তো অনেক মন্ত্রী আসলে আমি আসতাম না। কিন্তু যিনি আসছেন হয়তো তিনি জানেন না, উনি আমার হৃদয়ের কোন জায়গাটায় অবস্থান করছেন। উনি আমাকে বলেন ভাই আর আমি বলি বাবা, এবার বুঝে নেন আমার রিলেশনটা কি।

তিনি বলেন, আমি মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে একটা অনুরোধ জানাতে অসুস্থ হয়েও এখানে আসছি। এর আগে যারা ক্রীড়া মন্ত্রী ছিলেন তারা এসেছিলেন, পাবলিকলি কথা দিয়েছিলেন, এখানে একটা কমপ্লেক্স হওয়ার কথা। আপনার যতটুকু সাধ্য আছে যতটুকু ক্ষমতা আছে তা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব এই স্টেডিয়ামকে একটা কমপ্লেক্সে পরিণিত করে নারায়ণগঞ্জের মানুষের স্বপ্ন, যে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ সৃষ্টি করেছেন, সেই নারায়ণগঞ্জের মানুষকে তিনি সম্মানিত করবেন, এই দাবিটুকু রাখছি।

শামীম ওসমান বলেন, আমার মনে হয়, যখন কোনো মন্ত্রী মহোদয় কথা দেয় তখন সেটা সরকারের কথা। এই সরকার ঘুমিয়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী নয়, জাতির জনকের সন্তান শেখ হাসিনা সরকার। এই সরকার যা বলে তা কিন্তু করে। আমার এলাকায় আমি হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ করেছি। নাইনটি নাইন পার্সেন্ট কাজ কিন্তু শেষ। বাকী কাজও শেষ হবে ইনশাল্লাহ।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ রশিদ, সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তানভির আহমেদ টিটু প্রমূখ।

খেলায় বন্দর উপজেলা ও রূপগঞ্জ উপজেলার মধ্যকার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে রূপগঞ্জকে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের এবারের চ্যাম্পিয়ন হয় বন্দর উপজেলা।

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে