NarayanganjToday

শিরোনাম

জরুরী তলবী সভার দাবিতে ৩১৭ আইনজীবীর দরখাস্ত, যা বললেন সাখাওয়াত


জরুরী তলবী সভার দাবিতে ৩১৭ আইনজীবীর দরখাস্ত, যা বললেন সাখাওয়াত

নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা ও জজ এবং আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বরাবর ৩শ ১৭ জন আইনজীবীর স্বাক্ষর সম্বলিত দরখাস্ত দিয়েছেন বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা। ১৫ ধারার আলোকে জরুরী তলবী সভা আহ্বানের মাধ্যমে পুনরায় দল নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা ও জজ আনিসুর রহমান ও আইনজীবী সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুজ্জামান পৃথকভাবে ওই দরখান্ত গ্রহণ করেছেন।

নির্বাচন কমিশন গঠনে আইনজীবী সমিতির গঠনতন্ত্রের ১৪ ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে ওই দরখাস্তে জানানো হয়েছে। একই দরখাস্ত কেন্দ্রীয় বার কাউন্সিলেও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি পন্থী আইনজীবী নেতা অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান।

তিনি বলেন, গঠনতন্ত্রে স্পষ্ট করেই লেখা আছে নির্বাচন কমিশন হতে হবে দল নিরপেক্ষ, সৎ। কিন্তু যাকে প্রধান নির্বাচন করা হয়েছে, সেই আখতার হোসেন একজন দলীয় ব্যক্তি, সরকারি লোক। তিনি অতিরিক্ত পিপি ছিলেন, জিপি ছিলেন। এমন একজন লোক কীভাবে নিরপেক্ষ হয়, কীভাবে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রধান হয়? এটা গঠনতন্ত্রের ১৪ ধারা লঙ্ঘন।

সাখাওয়াত আরও বলেন, গতবারের নির্বাচন আখতার হোসেন দলীয় প্যানেলের পক্ষে কাজ করেছেন। তার সামনে প্রকাশ্যে ব্যালটে ভোট দিয়েছেন এবং সাধারণ আইনজীবীদের সেসময় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে। সেসব তিনি প্রতিরোধ করতে পারেননি। বরং দলীয় প্যানেলকে আরও সহযোগিতা করেছেন। শুধু তাই নয়, আমাদের অনেক আইনজীবীকে ভোট দিতে আসতে দেওয়া হয়নি, এ ব্যাপারে তিনি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।

তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন হলে আওয়ামী লীগ পন্থী আইনজীবীরা শক্ত কোনো অবস্থান নিতে পারবে না তাই দলীয় এবং বয়ঃবৃদ্ধদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। এতে করে তারা জোরজবরদস্তি করে নির্বাচনটা কুক্ষিগত করতেই এই আয়োজন।

এদিকে আইনজীবী সমিতি বরাবর দরখাস্ত দেওয়ার সময় পাশের রুমেই বসা ছিলেন সমিতির সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েল, এমন দাবি করেছেন অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান। তবে, নারায়ণগঞ্জ টুডে’র কাছে হাসান ফেরদৌস জুয়েল দাবি করেছেন অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান আমার হাতে কোনো কপি দেননি।

এ প্রসঙ্গে জানতে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মোহসীন মিয়ার সাথে নারায়ণগঞ্জ টুডে’র পক্ষ থেকে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তবে, তিনি তার আত্মীয়ের অসুস্থতার অজুহাতে কোনো কথা বলতে রাজি না হয়ে ‘পরে কথা বলি’ জানিয়ে ফোন লাইনটি কেটে দেন।

১৩ জানুয়ারি, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে