NarayanganjToday

শিরোনাম

লঞ্চের কেবিনে প্রেমিকাকে ফুঁসলিয়ে ধর্ষণ করে শ্রীঘরে যুবক


লঞ্চের কেবিনে প্রেমিকাকে ফুঁসলিয়ে ধর্ষণ করে শ্রীঘরে যুবক

কিশোরীর সাথে ছিল প্রেম। এই সুবাদে গড়ে উঠে বিশ্বাস। স্বপ্ন দেখানো হয় বিয়ের। কিশোরীকে সংসার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলো প্রেমিক যুবক সালাউদ্দিন। সর্বশেষ ১১ জানুয়ারি কিশোরীকে সালাউদ্দিন তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে নিয়ে বিয়ে করবে, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে যায় সদরঘাট।

সেখান থেকে চাঁদপুরমুখী একটি লঞ্চের কেবিন কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয় শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ে না করে চাঁদপুর থেকে ঢাকা ফেরর পথেও একইভাবে শাররীক সম্পর্ক করে ওই যুবক। পরবর্তীতে সরদারঘাট থেকে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় এসে কিশোরীকে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায় সালাউদ্দিন।

এমনকী এদিনের পর থেকে কিশোরীর সাথে আর কোনো যোগাযোগ রক্ষা করেনি প্রেমিক সালাউদ্দিন। পরবর্তীতে এ কদিন অপেক্ষায় থেকে ভুক্তভোগি থানা পুলিশের আশ্রয় নেয়। এ ঘটনা জানিয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয় সে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রতারক সালাউদ্দিনকে আটক করে।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালের দিকে কিশোরী বাদী হয়ে অপহরণপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে পুলিশ সালাউদ্দিনকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

সালাউদ্দিন চাঁদপুর পৌর এলাকার উত্তর জিটি রোডের সিদ্দিক আলীর ছেলে। সে ফতুল্লার আমতলা প্রেমরোড এলাকার বাবুল মিয়ার বাড়িতে বসবাস করে ঝুটের ব্যবসা করতো।

ভুক্তভোগি কিশোরী এনায়েতনগর শাসনগাঁও এলাকার একটি হোসেয়ারিতে শ্রমিকের কাজ করতো। ওই যুবকের সাথে তিন বছর ধরে চেনাজানা ও প্রেমের সম্পর্ক।

মামলা দায়ের ও গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, ভুক্তভোগি কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতেই আটক করা হয় সালাউদ্দিনকে। পরে বুধবার সকালে কিশোরীর অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

২২ জানুয়ারি, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে