NarayanganjToday

শিরোনাম

‘মাসে ৮শ কোটি টাকা লোকসান গুণছে নিটিং ব্যবসায়ীরা’


‘মাসে ৮শ কোটি টাকা লোকসান গুণছে নিটিং ব্যবসায়ীরা’

ফতুল্লায় নিটিং ব্যবসায়ীদের বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় কাজের মূল্য নির্ধারন ও সময় মতো মজুরী না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোসিয়েশনের বিকেওএ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় ওই অভিযোগ উঠে এসেছে।

সংগঠনের সভাপতি সেলিম সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার, সহ-সভাপতি রকিবুল হাসান রাকিব, নিজাম মুন্সি, মাহবুব উল  আনোয়ার, পরিচালক আবু বককর সিদ্দিক, গোলাম মাওলা, জাহিদুল আলম, খাইরুল ইসলাম, নির্মল চন্দ্র রায়, ইব্রাহীম চেঙ্গীস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ঐক্যবদ্ধ না থাকায় কোনো কোনো ব্যবসায়ী কম মজুরীতে কাজের অর্ডার হাতিয়ে নিচ্ছেন। যে মজুরীতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন সে মজুরী তাদের লাভতো দূরের কথা প্রায় ৩-৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। অথচ টিকে থাকতে কিছু ব্যবসায়ী কম মজুরীতে অর্ডার নিয়ে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের পথে বসাচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, অনেক গার্মেন্ট ব্যবসায়ী অর্ডার দিয়ে অর্ধেক বা তারও বেশি মজুরী বাকি রেখে মাল তৈরি করে নিয়ে যায়। এ মজুরী দিই-দিচ্ছি বলে সময় ক্ষেপন করেন। নির্ধারিত সময়ে মজুরী না পেয়ে অনেকেই কারখানা বন্ধ করে অন্য ব্যবসায়ী চলে গেছেন। এভাবে গত ৬ মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার জানান, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা নেই। যার ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরীতে কাজের অর্ডার হাতিয়ে নিচ্ছেন। এতে অনেকেই উৎপাদন খরচ থেকে দু’এক টাকা লাভ রেখে কাজের অর্ডার পাচ্ছে না। আরেকটি সমস্যা হলো, সময় মতো মজুরীর বাকি টাকা উঠাতে পারছে না নিটিং ব্যবসায়ীরা। এদুটি সমস্যার কারনে মাসে প্রায় ৮শ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের এই নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য বাস্তবায়নে ৭৮ সদস্য উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। চেষ্টা করছি দ্রুত এ সমস্যা সমাধান করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে। আর যারা ক্ষতি গ্রহস্থ হয়ে কারখানা বন্ধ করে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে তাদের কাছে অনুরোধ করবো ফিরে আসার।

৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে