NarayanganjToday

শিরোনাম

ফতুল্লা আ.লীগের সম্মেলনে আসেননি শিক্ষা উপমন্ত্রী


ফতুল্লা আ.লীগের সম্মেলনে আসেননি শিক্ষা উপমন্ত্রী

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন শুরু হয়েছে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের নম পার্কে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টা থেকে এই সম্মেলনের এই আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

তবে, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সম্মেলনে আসবেন, সম্মেলন কমিটি থেকে এমন প্রচারণা চালানো হলেও শেষতক তিনি আসেননি।

এদিকে ব্যানারের সাথে প্রচারপত্রেরও মিল নেই। প্রচার পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর নাম লেখা থাকলেও ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে লেখা রয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাইয়ের নাম। তাই ধারণা করা হচ্ছে, নওফেল আসবেন না বিষয়টি আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিলো সম্মেলন কমিটিকে।

জানা গেছে, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদলের সভাপতিত্বে সম্মেলন মঞ্চে প্রধান বক্তা হিসেবে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল।

এছাড়াও রয়েছেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খোকন সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজিম উদ্দিন প্রধান প্রমূখ।

এদিকে সম্মেলনের কথা শুরু হওয়ার পর থেকে অনেকেই চেয়েছিলেন থানা কমিটির নেতৃত্বে আসার জন্য প্রার্থী হতে। এমনকি বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীও চেয়েছিলেন সভাপতি প্রার্থী হতে যদি না সাইফউল্লাহ বাদল প্রার্থী না হন। কিন্তু নাছোড় বান্দা বাদল সভাপতি হবেনই হবে। আর সে লক্ষ্যেই প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি সাজানো হয়েছে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে।

অন্যদিকে এমন পরিস্থিতিতেও অনেকে প্রার্থী হতেও চেয়েছিলেন। কিন্তু কর্তার ইচ্ছেতে এবং ভয়ে সে সাহস আর কেউ দেখাতে পারেনি। ফলশ্রুতিতে ফতুল্লা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফউল্লাহ বাদল ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীই হচ্ছেন। এবং ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবেই এই ঘোষণা দেওয়া হবে।

তবে, এই কথিত সম্মেলনকে অনেকেই ‘নাটক’ আখ্যা দিয়ে কমিটি ঘোষণাকালে উপস্থিত না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। এই সম্মেলনে আসবেন না, মেয়র আইভী, আব্দুল কাদির, আরজু ভূইয়া, সানাউল্লাহ সানু, শহিদুল্লাহ, কাউসার আহম্মেদ পলাশ, আবু সুফিয়ানসহ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে থাকা আরও অনেকেই। তাই, এই কমিটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯/এসপি/এনটি

উপরে