NarayanganjToday

শিরোনাম

বদলে যাবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, হচ্ছে ছয়লেন


বদলে যাবে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, হচ্ছে ছয়লেন

ব্যস্ততম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড বদলে যাবে এবার। রাজধানীর সাথে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার সাথে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের লক্ষ্যে এই সড়কটি চারলেনে উন্নতী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধিন বাংলাদেশ সরকার।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডকে ছয় লেনে উন্নতী করার মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকারের সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪শ ৪৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বরাদ্দ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন করার কথা রয়েছে। ফলে, একনেকের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন করলে এই প্রকল্প আগামী ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।

সূত্র বলছে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড ৬ লেনে উন্নতী হলে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের যোগাযোগ অত্যন্ত সহজ এবং দ্রুত হবে। একই সাথে শিল্পনগরী হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটবে।

চাষাড়া থেকে সাইনবোর্ড সড়কটি ৮ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড নামে পরিচিত। সড়কটি নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এই সড়কের পাশেই জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি দপ্তর রয়েছে। এরমধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সিভিল সার্জন অফিস, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা কারাগার, গণপূর্ত অধিদফতর, পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ অফিস অন্যতম। এর ফলে এই লিংক রোডটির গুরুত্ব এই জেলার মধ্যে অধিক।

শুধু তাই নয়, এই সড়কেই রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়ম। যার নাম খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম। এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেট খেলার ভেন্যু হিসাবে সমাদৃত।

রাজধানীর অতি নিকটবর্তী এই অঞ্চলে অসংখ্য শিল্প-কারখানা ও নতুন বসতি গড়ে উঠেছে। ফলে বিদ্যমান সড়কে যানবাহন সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দর উপজেলার একাংশ নিয়ে এরআগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত কয়েক বছরে নারায়ণগঞ্জ জেলা সদরে বেসরকারি হাসপাতাল, বেসরকারি ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানসহ বড় আকারের বেসরকারি আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে।

সব দিক বিবেচনা করে এই সড়কটিকে অত্যাধিক গুরুত্বের সাথেই দেখছে বর্তমান সরকার। ফলশ্রুতিতে এটিকে মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীত করার জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে ডিপিপি প্রণয়ন করে প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। ওই সভার সুপারিশ অনুযায়ীই ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

২০ জানুয়ারি, ২০২০/এসপি/এনটি

উপরে